পুতিন-পরবর্তী রাশিয়া নিয়ে চিনের ‘নজরদারি’! সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের ঘিরে কেন বাড়ছে বেজিংয়ের তৎপরতা?

পুতিন-পরবর্তী রাশিয়া নিয়ে চিনের ‘নজরদারি’!! ভ্লাদিমির পুতিনের পর রাশিয়ার ক্ষমতায় কে আসবেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক পশ্চিমি বিশ্লেষণকে ঘিরে দাবি উঠেছে, মস্কোর সম্ভাব্য ক্ষমতার পরিবর্তন…

August 23, 2026
1 min read

পুতিন-পরবর্তী রাশিয়া নিয়ে চিনের ‘নজরদারি’!!

ভ্লাদিমির পুতিনের পর রাশিয়ার ক্ষমতায় কে আসবেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক পশ্চিমি বিশ্লেষণকে ঘিরে দাবি উঠেছে, মস্কোর সম্ভাব্য ক্ষমতার পরিবর্তন নিয়ে চিনও নাকি আগেভাগেই হিসাব কষছে। পুতিনের সঙ্গে বেজিংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও তাঁর পরবর্তী শাসকের সঙ্গে সেই সমীকরণ একই থাকবে কি না, সেটাই শি জিনপিং প্রশাসনের অন্যতম বড় চিন্তা।

রাশিয়া-চিন সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি অর্থনীতি ও জ্বালানি। ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার চাপে মস্কোর কাছে চিন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হয়ে উঠেছে। রাশিয়া থেকে তেল, গ্যাস, কয়লা, সার-সহ বিভিন্ন পণ্য চিনে যাচ্ছে। বিপরীতে রাশিয়া চিন থেকে ভারী যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আমদানি করছে।

কেন পুতিনের পরের রাশিয়া গুরুত্বপূর্ণ চিনের কাছে?

পুতিনের পর ক্ষমতায় আসা কোনও নতুন নেতা যদি বেজিংয়ের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক বদলে দেন, তা হলে চিনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থে প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণেই সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের সম্পর্কে আগেভাগে ধারণা তৈরি করতে চাইছে বেজিং—এমনই দাবি কয়েকটি পশ্চিমি বিশ্লেষণে।

অন্যদিকে, রাশিয়ার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের বিপুল সামরিক ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতা হস্তান্তর কী ভাবে হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের বদলে অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই শুরু হলে তার প্রভাব পড়তে পারে রাশিয়া-চিন সম্পর্কেও।

জ্বালানি থেকে উত্তর কোরিয়া—আরও কয়েকটি উদ্বেগ

রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্কও চিনের জন্য অস্বস্তির কারণ বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন। মস্কো-পিয়ংইয়ং সহযোগিতা আরও গভীর হলে উত্তর কোরিয়ার সামরিক ও পরমাণু সক্ষমতা বাড়তে পারে। এর ফলে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া আরও ঘনিষ্ঠ ভাবে আমেরিকার দিকে ঝুঁকতে পারে—যা পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে।

তবে পুরো বিষয়টিই এখনও বিশ্লেষণ ও অনুমানের পর্যায়ে। পুতিনের পর কে রাশিয়ার ক্ষমতায় আসবেন, তা নিয়ে কোনও নিশ্চিত উত্তর নেই। একই ভাবে সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের সঙ্গে চিনের কোনও গোপন যোগাযোগ চলছে—এমন দাবিরও স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে নেই।

সবচেয়ে বড় বিষয়, পুতিন ও শি জিনপিংয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক, তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্বে মস্কো-বেজিং সম্পর্ক কোন দিকে যাবে, সেটাই ভবিষ্যতের বড় প্রশ্ন। ফলে পুতিন-পরবর্তী রাশিয়াকে ঘিরে চিনের আগাম কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *