দু’দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে অমিত শাহ!
দু’দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার রাতে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন ও বিশাল লামা এবং দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা।
শাহের এই সফরে মূলত দু’টি বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে—শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা এবং পাহাড়ের সমস্যা।
‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তায় বৈঠক
বৃহস্পতিবার রাতে সুকনার একটি হোটেলে থাকার কথা শাহের। শুক্রবার সকালে তিনি যাবেন সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি-র শিবিরে। সেখানে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা নিয়ে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
এই বৈঠকে এসএসবি-র পাশাপাশি বিএসএফের আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোরের নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। ফলে শাহের সফরে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
কাওয়াখালিতে বিএনএসের প্রদর্শনী
শুক্রবারই সেখান থেকে শিলিগুড়ির কাওয়াখালি ময়দানে যাওয়ার কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সেখানে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস নিয়ে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন তিনি।
২৬ অগস্ট পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। সাধারণ মানুষকে নতুন ফৌজদারি আইন সম্পর্কে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। আইপিসির বিভিন্ন ধারার পরিবর্তে বিএনএসে কোন নতুন ধারা কার্যকর হয়েছে, তা-ও সেখানে তুলে ধরা হবে।
এই কর্মসূচিতে শাহের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা।
পাহাড় নিয়েও একাধিক বৈঠক
শুক্রবারের কর্মসূচি শেষ করে ফের হোটেলে ফিরে যাওয়ার কথা শাহের। সেখানে রাজ্যের দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করার সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার সফরের দ্বিতীয় দিনে মূলত পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে। এ জন্য পর পর দু’টি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রশাসনিক বিষয় এবং স্থানীয় সমস্যাগুলি নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।
দু’দিনের কর্মসূচি শেষ করে শনিবারই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
শাহের এই সফর তাই শুধু প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এক দিকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ করিডোরের নিরাপত্তা, অন্য দিকে দার্জিলিং পাহাড়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি—দুই দিকেই নজর থাকছে কেন্দ্রের।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।