কালীঘাট মন্দিরে এ বার আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি!
কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের দাবি, কোনও ধর্মীয় স্থানের জন্য এই প্রথম এমন আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের নির্দেশে কালীঘাট মন্দিরের জন্য পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। কলকাতা পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং মন্দির এলাকার আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ।
শুধু সাধারণ নিরাপত্তা নয়, নাশকতা বা জঙ্গি হামলার আশঙ্কার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, অতীতে কালীঘাট মন্দিরকে ঘিরে বিভিন্ন নিরাপত্তাগত ঝুঁকি দেখা গিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই স্থায়ী ভাবে আলাদা পুলিশি ব্যবস্থা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কারা থাকবেন নতুন ফাঁড়িতে?
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, কালীঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে মোট ২০ জন পুলিশকর্মী থাকবেন। তাঁদের নেতৃত্বে থাকবেন ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার এক আধিকারিক।
ফাঁড়ির কর্মীসংখ্যার মধ্যে থাকবেন—
- ২ জন সাব ইনস্পেক্টর বা সার্জেন্ট পদমর্যাদার আধিকারিক
- ৮ জন কনস্টেবল
- ৫ জন মহিলা কনস্টেবল
- ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার ১ জন আধিকারিক
অর্থাৎ মন্দির চত্বরে পুরুষ ও মহিলা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলাদা ভাবে নজরে রাখা হবে।
কার অধীনে থাকবে ফাঁড়ি?
কালীঘাট থানার আওতাতেই থাকবে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি। প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (এসিপি)। পাশাপাশি গোটা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্ব থাকবে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ)-এর উপর।
কালীঘাট মন্দিরে প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়। উৎসব বা বিশেষ পুজোর সময়ে সেই ভিড় আরও বাড়ে। ফলে পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি চালু হলে মন্দিরকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং দর্শনার্থীদের বিভিন্ন সমস্যায় দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।