কলকাতা লিগে শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়াল ইস্টবেঙ্গল!
কলকাতা লিগে টানা চার ম্যাচ জয়ের পর অবশেষে থামল ইস্টবেঙ্গলের জয়যাত্রা। সোমবারের ম্যাচে লড়াকু বিএসএস স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে গোল করে ৩-৩ ব্যবধানে ড্র করেই এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল লাল-হলুদকে। বৃষ্টির কারণে মাঝপথে খেলা বন্ধ থাকলেও ম্যাচজুড়ে নাটকীয়তার কোনও অভাব ছিল না।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বিএসএস স্পোর্টিং। মাত্র পাঁচ মিনিটেই রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে শ্লোক তিওয়ারি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। আচমকা গোল হজমের পর ইস্টবেঙ্গল ধীরে ধীরে খেলায় ফেরার চেষ্টা করে। ৩০ মিনিটে আকাশ হেমব্রমের নিখুঁত ক্রস থেকে বিজয় মুর্মুর হেডে সমতা ফেরে। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সাত মিনিটের মধ্যেই আবার গোল করে বিএসএসকে এগিয়ে দেন শ্লোক।
এরপর প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে ম্যাচ প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ থাকে। বিরতির পরও ছন্দ ধরে রাখে বিএসএস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সুখরাম সর্দার গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে ৩-১ করেন। শ্লোকের সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগ এলেও তিনি তা কাজে লাগাতে পারেননি।
চাপের মুখে পড়েও হাল ছাড়েনি ইস্টবেঙ্গল। ৬২ মিনিটে মহম্মদ বেলাল একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমান। এরপর ম্যাচ যত শেষের দিকে গড়ায়, ততই আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় লাল-হলুদ। সংযুক্তি সময়ে মনোতোষ মাজির গুরুত্বপূর্ণ গোলে অবশেষে ৩-৩ সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল, ফলে নিশ্চিত পরাজয় এড়াতে সক্ষম হয় তারা।
যদিও এক পয়েন্ট উদ্ধার করতে পেরেছে ইস্টবেঙ্গল, তবু দলের পারফরম্যান্স কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাসকে ভাবাবে। বিশেষ করে রক্ষণভাগের একাধিক ভুল এবং আক্রমণে সহজ সুযোগ নষ্ট করার প্রবণতা আগামী ম্যাচগুলির আগে বড় উদ্বেগের কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, বিএসএস স্পোর্টিং তাদের সাহসী ও সংগঠিত ফুটবলের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছে যে, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও তারা সমান তালে লড়াই করতে সক্ষম।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।