অফিসে কাজের ফাঁকে বারবার খিদে পাচ্ছে? ভুঁড়ি না বাড়িয়ে মন ভরাবে এমন ৩ স্বাস্থ্যকর টিফিন

অফিসে কাজের ফাঁকে বারবার খিদে পাচ্ছে? অফিসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে করতে বিকেলের দিকে অনেকেরই মুখরোচক কিছু খেতে ইচ্ছে করে। তখন হাতের কাছে যদি থাকে চিপস, শিঙাড়া, কচুরি বা মিষ্টি, তা…

July 22, 2026
1 min read

অফিসে কাজের ফাঁকে বারবার খিদে পাচ্ছে?

অফিসে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে করতে বিকেলের দিকে অনেকেরই মুখরোচক কিছু খেতে ইচ্ছে করে। তখন হাতের কাছে যদি থাকে চিপস, শিঙাড়া, কচুরি বা মিষ্টি, তা হলে প্রলোভন সামলানো কঠিন। কিন্তু এই অভ্যাসই ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দিতে পারে ওজন, ভুঁড়ি এবং নানা শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি। তাই ক্ষুধাও মেটাবে, আবার শরীরেরও ক্ষতি করবে না— এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার টিফিনে রাখা যেতে পারে।

১. মশলাদার বাদাম মাখা

বিকেলের ক্ষুধা মেটাতে বাদাম দারুণ একটি বিকল্প। ভাজাভুজির বদলে চিনেবাদাম বা মিশ্র বাদাম নিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা, লেবুর রস, সামান্য বিট নুন বা চাট মশলা মিশিয়ে নিলেই তৈরি সুস্বাদু বাদাম মাখা।

বাদামে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ফাইবার, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অকারণে বারবার খাওয়ার প্রবণতাও কমে। চাইলে বাড়ি থেকে বানিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, আবার অনেক জায়গায় স্বাস্থ্যকরভাবে তৈরি বাদাম মাখাও পাওয়া যায়।

২. হালকা ভাজা সেদ্ধ ডিম

সেদ্ধ ডিম অনেকেরই একঘেয়ে লাগে। তবে একটু অন্যভাবে বানালে সেটাই হয়ে উঠতে পারে দুর্দান্ত টিফিন।

সেদ্ধ ডিম মাঝখান থেকে কেটে নিন। একটি নন-স্টিক প্যানে অল্প অলিভ অয়েল বা মাখন দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচালঙ্কা হালকা ভেজে নিন। এরপর ডিম দিয়ে দু’পাশ সামান্য সেঁকে নুন ও গোলমরিচ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

ডিমে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, যা পেশি গঠনে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায়। ফলে বাইরের তেলেভাজা খাবারের প্রতি আকর্ষণও অনেকটাই কমে যায়।

৩. অঙ্কুরিত মুগের চাট

স্বাস্থ্যকর অথচ সুস্বাদু টিফিনের তালিকায় অঙ্কুরিত মুগের চাট অন্যতম। অঙ্কুরিত সবুজ মুগ হালকা ভাপিয়ে বা কাঁচাই ব্যবহার করা যায়। তার সঙ্গে পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা, লেবুর রস এবং সামান্য চাট মশলা মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে ঝাল-ঝাল চাট।

অঙ্কুরিত মুগে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ, যা হজম ভালো রাখতে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

কেন স্বাস্থ্যকর টিফিন জরুরি?

অফিসে কাজের চাপের মাঝে ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই সময় বারবার প্রক্রিয়াজাত বা তেলেভাজা খাবার খাওয়ার অভ্যাস ওজন বৃদ্ধি, কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই টিফিনে যদি আগে থেকেই স্বাস্থ্যকর, সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার রাখা যায়, তা হলে শরীরও ভালো থাকবে, আবার জিভের স্বাদও মিটবে।

স্বাস্থ্যকর খাবার মানেই যে স্বাদহীন, এই ধারণা বদলানোর সময় এসেছে। সামান্য পরিকল্পনাতেই অফিসের বিকেলের ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *