বিশ্বজয়ের স্মারকেই গোলপোস্টের জাল কেটে নিলেন ইয়ামালেরা!
বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাসে স্পেনের ফুটবলারদের হাতে দেখা গেল এক অদ্ভুত স্মারক— গোলপোস্টের জালের টুকরো। ফাইনাল শেষে লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, উনাই সিমন-সহ একাধিক স্প্যানিশ ফুটবলার কাঁচি দিয়ে গোলপোস্টের জাল কেটে নিজেদের কাছে রেখে দেন। সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই প্রশ্ন ওঠে, ফুটবলে এমন উদ্যাপন কেন?
আসলে ফুটবলে এটি খুব পরিচিত প্রথা নয়। তবে আমেরিকার ক্রীড়া সংস্কৃতিতে, বিশেষ করে বাস্কেটবলে, বড় কোনও শিরোপা জয়ের পর জাল কেটে স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। সেই রীতিই এ বার দেখা গেল বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ফুটবলারদের মধ্যে।
বাস্কেটবলে এই প্রথার সূচনা হয়েছিল প্রায় আট দশক আগে। ১৯৪৭ সালে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচ এভারেট কেস সাদার্ন কনফারেন্স জয়ের পর খেলোয়াড়দের কাঁধে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেন। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ এবং পেশাদার বাস্কেটবলে শিরোপা জয়ের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে ‘নেট কাটিং’ অনুষ্ঠান।
এ বারের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে আমেরিকার মাটিতে। সেই কারণেই অনেকের মতে, স্পেনের ফুটবলাররা স্থানীয় ক্রীড়া সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে একই ধরনের উদ্যাপন করেছেন। বিশ্বজয়ের স্মৃতি আজীবন মনে রাখার জন্যই গোলপোস্টের জালের অংশ সংগ্রহ করেছেন তাঁরা।
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। শিরোপা জয়ের পর মাঠজুড়ে উৎসবের আবহে একে একে ফুটবলারদের জাল কাটতে দেখা যায়। ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, উনাই সিমনদের সেই ছবি এবং ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয় সমাজমাধ্যমে।
যদিও ফুটবলে এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না, তবু বিশ্বকাপের মতো ঐতিহাসিক সাফল্যের স্মারক হিসেবে গোলপোস্টের জাল সংগ্রহ করা স্পেনের ফুটবলারদের কাছে বিশেষ আবেগের মুহূর্ত হয়ে উঠেছে। অনেকের মতে, আমেরিকার ক্রীড়া ঐতিহ্যকে অনুসরণ করার পাশাপাশি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই স্মৃতি চিরদিনের জন্য নিজের কাছে রেখে দিতেই এই অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইয়ামালরা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?