ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালের আগে শান্ত বার্তা স্কালোনির!
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা। ফকল্যান্ড যুদ্ধ থেকে শুরু করে দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’— দুই দেশের ফুটবল লড়াই বরাবরই আবেগ ও ইতিহাসে মোড়া। তবে এই সব বিতর্ককে গুরুত্ব দিতে নারাজ আর্জেন্টিনার কোচ লিয়োনেল স্কালোনি। তাঁর মতে, সেমিফাইনালকে শুধুই একটি কঠিন ফুটবল ম্যাচ হিসেবে দেখা উচিত।
ম্যাচপূর্ব সাংবাদিক বৈঠকে স্কালোনি বলেন, অতীতের রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনাকে মাঠে টেনে আনার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর কথায়, “এটা শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ। আমি এটাকে সেই ভাবেই দেখছি। আমাদের সামনে খুব শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। ইংল্যান্ডের একজন অসাধারণ কোচ রয়েছেন, যিনি খেলাটা দারুণ বোঝেন। আমাদের লক্ষ্য শুধুই মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়া।”
ইংল্যান্ডকে যথেষ্ট সমীহ করলেও নিজের দলের উপর আস্থা রাখছেন আর্জেন্টিনার কোচ। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের। শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল— কোনও জয়ই সহজে আসেনি।
স্কালোনির মতে, দলের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল জেতার অদম্য ইচ্ছা। তিনি বলেন, “আমরা চাইনি ম্যাচ পেনাল্টি শুটআউটে গড়াক। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে জিতেছি। কীভাবে জিতলাম, সেটা নয়— জেতার মানসিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেমিফাইনালে ওঠা কখনও সহজ নয়, আর এখান থেকে প্রতিটি ম্যাচ আরও কঠিন হবে।”
আর্জেন্টিনার কোচ আরও জানান, দল এখন আত্মবিশ্বাসী হলেও আত্মতুষ্ট নয়। তাঁর কথায়, সেমিফাইনালে জিততে হলে আগের চেয়ে আরও উন্নত ফুটবল খেলতে হবে। খেলোয়াড়দের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করার মানসিকতা বজায় রাখার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
স্কালোনি বলেন, “আমাদের খুশি হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কিন্তু কাজ এখনও শেষ হয়নি। এখন একটাই লক্ষ্য— পরের ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেওয়া এবং মাঠে শতভাগ উজাড় করে লড়াই করা।”
বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ সব সময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তবে স্কালোনির বার্তা স্পষ্ট— অতীতের আবেগ নয়, সেমিফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ করবে শুধুই ৯০ মিনিটের ফুটবল।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?