বারুইপুরে গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রের বাড়িতে প্রশাসনের উদ্যোগ, শনিবার যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

বারুইপুরে গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রের বাড়িতে প্রশাসনের উদ্যোগ! বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর গণপিটুনিতে নিহত অটোচালক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের তৎপরতা আরও বাড়ল। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী…

July 10, 2026
1 min read

বারুইপুরে গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রের বাড়িতে প্রশাসনের উদ্যোগ!

বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর গণপিটুনিতে নিহত অটোচালক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের তৎপরতা আরও বাড়ল। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুর সফরে গিয়ে নিহত নাবালিকার পরিবারের পাশাপাশি ইন্দ্রজিতের বাড়িতেও যেতে পারেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। তার আগে শুক্রবার প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের আইসি কঙ্করপ্রসাদ বারুই ইন্দ্রজিতের বাড়ি পরিদর্শন করেন।

এদিকে প্রশাসনের উদ্যোগে ইন্দ্রজিতের জীর্ণ বাড়ি মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে। বাড়ির নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাও। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজমিস্ত্রিরা বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সারানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরিবারের দাবি, সরকারি সাহায্য হিসেবে তাঁদের কাছে চাল, ডাল, আলু-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং পোশাক পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

পুত্রকে হারিয়ে শোকাহত বাবা অজিত মণ্ডল বলেন, “আমাদের আর কিছু চাওয়ার নেই। শুধু চাই, ঘটনার সঠিক বিচার হোক। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পাশে আছেন। আমরা সরকারের উপর ভরসা রাখছি।” একই সুর শোনা গিয়েছে ইন্দ্রজিতের মা অনিমা মণ্ডলের গলাতেও। তিনি জানান, প্রশাসনের তরফে যে সহায়তা মিলছে, তাতে পরিবার কিছুটা হলেও সাহস পাচ্ছে।

অন্যদিকে, বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনার তদন্তও দ্রুত এগোচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর রেল অবরোধ, ট্রেন চলাচলে বাধা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর জিআরপি। শুক্রবার তাঁদের শিয়ালদহ আদালতে তোলা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে মোট চারটি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। প্রথম মামলাটি নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে, যেখানে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে এক জন পরে পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হন। এছাড়া পুলিশ ও প্রশাসনের উপর হামলা, রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর-সহ বিভিন্ন অভিযোগে ইতিমধ্যেই ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে, এনকাউন্টার সংক্রান্ত তদন্তেও নেমেছে সিআইডি। শুক্রবার সিআইডি-র ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল বারুইপুর থানায় পৌঁছে নথিপত্র খতিয়ে দেখে। এরপর তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের কাজ শুরু করে। পুলিশ সূত্রের দাবি, এনকাউন্টারের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

বারুইপুরের এই ঘটনার জেরে এলাকায় এখনও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছে রাজ্য স

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?রকার।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *