বিশ্বকাপে আলোচনায় তারকা ফুটবলারদের প্রেমকাহিনি!
বিশ্বকাপ মানেই গোল, রোমাঞ্চ আর তারকাদের লড়াই। তবে শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, ফুটবল তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। লিয়োনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, নেমার, হ্যারি কেন কিংবা আর্লিং হালান্ড— প্রত্যেকের প্রেমের গল্প যেন এক একটি সিনেমার চিত্রনাট্য। কেউ শৈশবের প্রেমকে বিয়ে করেছেন, কেউ আবার জীবনের নানা বাঁক পেরিয়ে ফিরে পেয়েছেন প্রিয় মানুষটিকে।
লিয়োনেল মেসি ও আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর প্রেম শুরু হয়েছিল আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই একে অপরকে চিনতেন তাঁরা। পরে দূরত্ব তৈরি হলেও ভাগ্য আবার তাঁদের কাছাকাছি নিয়ে আসে। ২০১৭ সালে বিয়ে করেন এই জুটি। বর্তমানে তিন সন্তানের বাবা-মা মেসি ও আন্তোনেল্লা ফুটবল দুনিয়ার অন্যতম আদর্শ দম্পতি হিসেবে পরিচিত।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রেমকাহিনিও কম আকর্ষণীয় নয়। ২০১৬ সালে মাদ্রিদের একটি বিলাসবহুল দোকানে প্রথম দেখা জর্জিনা রদ্রিগেজ়ের সঙ্গে। সেই পরিচয়ই পরে সম্পর্কে বদলে যায়। আজ বহু বছর ধরে তাঁরা একসঙ্গে রয়েছেন এবং পাঁচ সন্তানের সংসার সামলাচ্ছেন। বিশ্বকাপের পর তাঁদের বিয়ে নিয়েও জোর জল্পনা চলছে।
নেমারের ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আলোচনায়। অল্প বয়সেই বাবা হওয়া থেকে শুরু করে একাধিক সম্পর্কে জড়ানো— সবই শিরোনামে এসেছে। বর্তমানে তিনি আবার প্রাক্তন সঙ্গী ব্রুনা বিয়ানকার্দির সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। তাঁদের পরিবারও ক্রমশ বড় হচ্ছে।
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের প্রেমের গল্প অনেকটাই অন্য রকম। স্কুলজীবনের বন্ধু কেটি গুডল্যান্ডের সঙ্গেই প্রেম এবং পরে বিয়ে। দীর্ঘ দিনের সম্পর্কের ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছে তাঁদের সুখের সংসার। বর্তমানে চার সন্তানের বাবা-মা এই দম্পতি।
স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের প্রেমজীবনও ইতিমধ্যেই চর্চার বিষয়। প্রথম সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমানে তিনি সমাজমাধ্যম-প্রভাবী ইনিস গ্রেসিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। স্পেনের ম্যাচে নিয়মিত গ্যালারিতে দেখা যায় ইনিসকে।
ব্রাজ়িলের ভিনিসিয়াস জুনিয়রের নামও প্রেমের খবরে উঠে এসেছে। জনপ্রিয় সমাজমাধ্যম তারকা ভার্জিনিয়া ফনসিকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বেশ আলোচিত হলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
অন্য দিকে, নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের প্রেমের শুরু ফুটবল মাঠেই। তাঁর সঙ্গী ইসাবেল জোহানসেনও একজন ফুটবলার। একই ক্লাবে খেলতে খেলতেই তাঁদের পরিচয়, পরে প্রেম। ২০২১ সাল থেকে একসঙ্গে রয়েছেন তাঁরা এবং এখন তাঁদের একটি সন্তানও রয়েছে।
বিশ্বকাপে এই তারকা ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন কোটি কোটি সমর্থকের নজর কেড়েছে, তেমনই তাঁদের জীবনের এই মানবিক ও রোম্যান্টিক অধ্যায়ও অনুরাগীদের কাছে সমান আকর্ষণীয়। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি, জীবনের এই ভালোবাসার গল্পগুলিও তাই বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?