বাংলাদেশে এ বছরই ফিরবেন শেখ হাসিনা!!
প্রায় দু’বছর ধরে ভারতে অবস্থান করার পর ফের বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা স্পষ্ট করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina। শুধু ফেরার পরিকল্পনার কথা নয়, এ বার তিনি সময়সীমাও জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, চলতি বছরের মধ্যেই সব বাধা অতিক্রম করে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন।
এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেছেন, “প্রতিটি বাধা এবং ষড়যন্ত্রকে অতিক্রম করে আমি এই বছরেই আমার দেশে ফিরব।” তাঁর কথায়, এই প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য কোনও ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়; বরং বাংলাদেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
২০২৪ সালের অগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৫ অগস্ট বোন Sheikh Rehana-কে সঙ্গে নিয়ে ভারতে চলে আসেন হাসিনা। তারপর থেকেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। প্রায় দু’বছর পর তাঁর এই মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে হাসিনার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। একটি মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, “আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। ১৯৭৫ সালে আমি আমার বাবা, ভাই এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হারিয়েছি। এত কিছু সত্ত্বেও বাংলাদেশের মানুষের পাশে থেকেছি।”
মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, এটি কোনও নিরপেক্ষ বিচার নয়। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
নিষেধাজ্ঞা ও শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতির মধ্যেও Bangladesh Awami League জনসমর্থন হারায়নি বলেও দাবি করেছেন হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, “আওয়ামী লীগ কোনও কাগুজে সংগঠন নয়। এই দল অতীতেও বহুবার আঘাত ও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে। কিন্তু প্রতিবারই মানুষের সমর্থনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।”
Bangladesh Nationalist Party-র সঙ্গে কোনও গোপন সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছিল তাঁকে। সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক অনুগ্রহ চায় না।”
সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, Muhammad Yunus-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং বিএনপি—দু’পক্ষই সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তিনি বলেন, Sheikh Mujibur Rahman এমন একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবেন। তাঁর মতে, সেই আদর্শ থেকে বাংলাদেশ আজ অনেকটাই সরে গিয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?