ভিনিসিয়াসের জোড়া গোল, ফিরলেন নেমারও! স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা ব্রাজ়িল, নকআউটে মরক্কো
বিশ্বকাপে ব্রাজ়িলের দাপট অব্যাহত। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে কার্যত একতরফা ম্যাচে ৩-০ গোলে জয় তুলে নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে শেষ করল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জোড়া গোল করে নজর কাড়লেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। দীর্ঘ দিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরলেন নেমারও। অন্য দিকে, একই গ্রুপের আর এক ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করল মরক্কো।
ব্রাজ়িল ৩-০ স্কটল্যান্ড
স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজ়িলের হাতে। প্রতিপক্ষের রক্ষণকে বার বার সমস্যায় ফেলেন ভিনিসিয়াস, ম্যাথেউস কুনহা এবং সতীর্থরা। স্কটল্যান্ড বেশির ভাগ সময় নিজেদের অর্ধেই আটকে ছিল। ব্রাজ়িলের আক্রমণের সামনে তাদের রক্ষণকে অনেকটা অসহায় দেখিয়েছে।
ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজ়িল। স্কটল্যান্ডের রক্ষণে ভুলের সুযোগ নিয়ে বল কেড়ে নেন রায়ান। তাঁর পাস থেকে অরক্ষিত অবস্থায় গোল করতে কোনও ভুল করেননি ভিনিসিয়াস জুনিয়র। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচেই গোল করা ব্রাজ়িলের পঞ্চম ফুটবলার হলেন তিনি। এর আগে জাইরজ়িনহো, রোমারিয়ো, রোনাল্ডো এবং রিভাল্ডোর মতো কিংবদন্তিরা এই নজির গড়েছিলেন।
এর পরেও একাধিক সুযোগ তৈরি করে ব্রাজ়িল। ২১ মিনিটে আবারও গোল করেছিলেন ভিনিসিয়াস, কিন্তু ‘ভার’ পরীক্ষার পর সেই গোল বাতিল হয়। রেফারি ফাউলের সিদ্ধান্ত নেন। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি ভিনিসিয়াস। সতীর্থের ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। তবে তাদের আক্রমণে ধার ছিল না। বরং প্রতি আক্রমণে আরও কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে ব্রাজ়িল। অবশেষে ৬০ মিনিটে তৃতীয় গোল আসে। একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল সাজিয়ে দেন ব্রুনো গিমারায়েস। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন কুনহা।
শেষ দিকে স্কটল্যান্ডও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল। ৬৫ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে স্কট ম্যাকটমিনের হেড দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন ব্রাজ়িল গোলরক্ষক অ্যালিসন।
এই ম্যাচে বিশেষ নজর ছিল নেমারের দিকে। ২০২৩ সালের পর প্রথম বার ব্রাজ়িলের জার্সিতে মাঠে নামলেন তিনি। ৭৬ মিনিটে তাঁকে মাঠে নামান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। যদিও প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে বড় কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নেমার।
মরক্কো ৪-২ হাইতি
অন্য ম্যাচে হাইতিকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেল মরক্কো। তবে ম্যাচটি মোটেও সহজ ছিল না তাদের জন্য। বরং হাইতি শুরু থেকেই লড়াইয়ের মানসিকতা দেখায়।
মাত্র ১০ মিনিটেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় হাইতি। তবে ৩৯ মিনিটে হাকিমির গোলে সমতা ফেরায় মরক্কো। আবার ৪৩ মিনিটে উইলসন ইসিডরের গোলে এগিয়ে যায় হাইতি। ১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপে গোল করার দীর্ঘ অপেক্ষা শেষ করে ইতিহাস গড়ে তারা।
তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তেই ফের সমতায় ফেরে মরক্কো। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। ৭৮ মিনিটে সুফিয়ান রহিমি এবং ৮৯ মিনিটে জেসিম ইয়াসিন গোল করে জয় নিশ্চিত করেন।
তিন ম্যাচ শেষে ব্রাজ়িল ও মরক্কো—দুই দলেরই পয়েন্ট ৭। মুখোমুখি ম্যাচ ১-১ ড্র হয়েছিল। তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হল ব্রাজ়িল। রানার্স হয়ে পরের পর্বে গেল মরক্কো।বিশ্বকাপে ব্রাজ়িলের দাপট অব্যাহত। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে কার্যত একতরফা ম্যাচে ৩-০ গোলে জয় তুলে নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে শেষ করল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জোড়া গোল করে নজর কাড়লেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। দীর্ঘ দিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরলেন নেমারও। অন্য দিকে, একই গ্রুপের আর এক ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করল মরক্কো।
ব্রাজ়িল ৩-০ স্কটল্যান্ড
স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজ়িলের হাতে। প্রতিপক্ষের রক্ষণকে বার বার সমস্যায় ফেলেন ভিনিসিয়াস, ম্যাথেউস কুনহা এবং সতীর্থরা। স্কটল্যান্ড বেশির ভাগ সময় নিজেদের অর্ধেই আটকে ছিল। ব্রাজ়িলের আক্রমণের সামনে তাদের রক্ষণকে অনেকটা অসহায় দেখিয়েছে।
ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজ়িল। স্কটল্যান্ডের রক্ষণে ভুলের সুযোগ নিয়ে বল কেড়ে নেন রায়ান। তাঁর পাস থেকে অরক্ষিত অবস্থায় গোল করতে কোনও ভুল করেননি ভিনিসিয়াস জুনিয়র। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচেই গোল করা ব্রাজ়িলের পঞ্চম ফুটবলার হলেন তিনি। এর আগে জাইরজ়িনহো, রোমারিয়ো, রোনাল্ডো এবং রিভাল্ডোর মতো কিংবদন্তিরা এই নজির গড়েছিলেন।
এর পরেও একাধিক সুযোগ তৈরি করে ব্রাজ়িল। ২১ মিনিটে আবারও গোল করেছিলেন ভিনিসিয়াস, কিন্তু ‘ভার’ পরীক্ষার পর সেই গোল বাতিল হয়। রেফারি ফাউলের সিদ্ধান্ত নেন। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি ভিনিসিয়াস। সতীর্থের ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। তবে তাদের আক্রমণে ধার ছিল না। বরং প্রতি আক্রমণে আরও কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করে ব্রাজ়িল। অবশেষে ৬০ মিনিটে তৃতীয় গোল আসে। একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল সাজিয়ে দেন ব্রুনো গিমারায়েস। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন কুনহা।
শেষ দিকে স্কটল্যান্ডও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল। ৬৫ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে স্কট ম্যাকটমিনের হেড দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন ব্রাজ়িল গোলরক্ষক অ্যালিসন।
এই ম্যাচে বিশেষ নজর ছিল নেমারের দিকে। ২০২৩ সালের পর প্রথম বার ব্রাজ়িলের জার্সিতে মাঠে নামলেন তিনি। ৭৬ মিনিটে তাঁকে মাঠে নামান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। যদিও প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে বড় কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নেমার।
মরক্কো ৪-২ হাইতি
অন্য ম্যাচে হাইতিকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেল মরক্কো। তবে ম্যাচটি মোটেও সহজ ছিল না তাদের জন্য। বরং হাইতি শুরু থেকেই লড়াইয়ের মানসিকতা দেখায়।
মাত্র ১০ মিনিটেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় হাইতি। তবে ৩৯ মিনিটে হাকিমির গোলে সমতা ফেরায় মরক্কো। আবার ৪৩ মিনিটে উইলসন ইসিডরের গোলে এগিয়ে যায় হাইতি। ১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপে গোল করার দীর্ঘ অপেক্ষা শেষ করে ইতিহাস গড়ে তারা।
তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তেই ফের সমতায় ফেরে মরক্কো। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। ৭৮ মিনিটে সুফিয়ান রহিমি এবং ৮৯ মিনিটে জেসিম ইয়াসিন গোল করে জয় নিশ্চিত করেন।
তিন ম্যাচ শেষে ব্রাজ়িল ও মরক্কো—দুই দলেরই পয়েন্ট ৭। মুখোমুখি ম্যাচ ১-১ ড্র হয়েছিল। তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হল ব্রাজ়িল। রানার্স হয়ে পরের পর্বে গেল মরক্কো।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?