শারীরিক লড়াইয়ে আটকে গেল ইংল্যান্ড, কেনদের আক্রমণ ভাঙতে পারল না ঘানার দুর্ভেদ্য রক্ষণ

শারীরিক লড়াইয়ে আটকে গেল ইংল্যান্ড! বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী আক্রমণভাগ নিয়ে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। দলে ছিলেন হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকা-সহ একাধিক তারকা। কিন্তু ঘানার জমাট রক্ষণ এবং শারীরিক ফুটবলের…

June 24, 2026
1 min read

শারীরিক লড়াইয়ে আটকে গেল ইংল্যান্ড!

বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী আক্রমণভাগ নিয়ে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। দলে ছিলেন হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকা-সহ একাধিক তারকা। কিন্তু ঘানার জমাট রক্ষণ এবং শারীরিক ফুটবলের সামনে থমকে গেল থমাস টুখেলের দল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য ড্রয়ে।

ইংল্যান্ড ০-০ ঘানা

এই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের রক্ষণ যেমন প্রশংসিত হচ্ছে, তেমনই তাদের আক্রমণ নিয়েও বড় প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ঘানার বিরুদ্ধে সেই আক্রমণ বিভাগের ধার দেখা গেল না। প্রতিপক্ষের বক্সে বারবার পৌঁছেও গোলের রাস্তা খুঁজে পেল না ইংল্যান্ড। টুখেলের দলকে বুঝতে হবে, শুধু তারকা ফুটবলার থাকলেই হবে না, আক্রমণে আরও বৈচিত্র্য আনতে হবে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ঘানা দেখিয়ে দেয়, তারা শুধু রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে আসেনি। নিজেদের শক্তিশালী শারীরিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ডের আক্রমণ আটকে দেয় তারা। প্রতি আক্রমণে কয়েক বার ইংরেজ রক্ষণকে চাপে ফেলেছিল আফ্রিকার দলটি।

১০ মিনিটের মাথায় বেলিংহ্যাম এবং কেনের বোঝাপড়ায় ইংল্যান্ড একটি ভালো আক্রমণ তৈরি করেছিল। কিন্তু ঘানার ডিফেন্ডারদের ভিড়ে সেই সুযোগ নষ্ট হয়ে যায়। কেন বা অ্যান্টনি গর্ডন বল পেলেই একাধিক ঘানা ফুটবলার তাঁকে ঘিরে ফেলছিলেন। ফলে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারেনি।

ম্যাচের বড় বৈশিষ্ট্য ছিল শারীরিক লড়াই। অনেক সময় ফুটবলের চেয়ে শক্তির পরীক্ষাই বেশি দেখা গিয়েছে। সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পান হ্যারি কেন। পরে ইংল্যান্ডের রিসি জেমসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে ঘানার অধিনায়ক জর্ডন আয়েউয়ের। তাঁর মাথা ফেটে গেলেও ব্যান্ডেজ বেঁধে মাঠে ফিরে খেলতে থাকেন। দুই দলের ফুটবলারদের লড়াইয়ের তীব্রতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

গোল না আসায় দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে আরও পরিবর্তন আনেন টুখেল। ৬৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা এবং নিকো ও’রেইলিকে মাঠে নামান তিনি। জেড স্পেন্স এবং গর্ডনকে তুলে নিয়ে উইং দিয়ে আক্রমণ বাড়ানোর চেষ্টা করেন ইংল্যান্ড কোচ।

ম্যাচের শেষ দিকে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ৮৩ মিনিটে ননি মাদুকের পরিবর্তে মার্কাস র‌্যাশফোর্ডকে নামানো হয়। তিন পয়েন্টের জন্য হাতে থাকা প্রায় সব অস্ত্রই ব্যবহার করেন টুখেল।

তবে সবচেয়ে বড় সুযোগটি নষ্ট করেন অধিনায়ক হ্যারি কেন নিজেই। ৮৬ মিনিটে নিকো ও’রেইলির হেড বারে লেগে ফিরে আসে। ছয় গজের বক্সের কাছ থেকে ফিরতি বল পেয়েও গোল করতে পারেননি কেন। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচের ফল বদলে যেতে পারত।

এই ড্রয়ের পর টুখেলের চিন্তার জায়গা মূলত আক্রমণ। ইংল্যান্ডের হাতে বিশ্বমানের ফুটবলার থাকলেও প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণ ভাঙার জন্য নতুন পরিকল্পনা প্রয়োজন। ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বড় স্বপ্ন পূরণ করতে হলে শুধু শক্তিশালী রক্ষণ নয়, আক্রমণেও আরও ধার ও বৈচিত্র্য দেখাতে হবে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *