কানাডার আদালতেও মিলল না স্বস্তি
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ঘানা। দলের অন্যতম অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার Thomas Partey প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না। কারণ, তাঁর ভিসা আবেদন শুধু কানাডার বিদেশ দফতরই নয়, সে দেশের আদালতও খারিজ করে দিয়েছে।
ফলে পানামার বিরুদ্ধে টরন্টোয় অনুষ্ঠিত হতে চলা ঘানার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে পার্তেকে ছাড়াই।
ঘানার বাকি ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফদের ভিসা মঞ্জুর হলেও পার্তের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেয় কানাডা প্রশাসন। এরপর সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর আইনজীবীরা। বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার গুরুত্ব বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে ভিসা অনুমোদনের আবেদনও জানানো হয়েছিল।
তবে বিচারক Roger Lafreniere সেই আবেদন খারিজ করে দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভিসা মঞ্জুর করার পক্ষে যথেষ্ট ও গ্রহণযোগ্য যুক্তি তুলে ধরতে পারেননি পার্তের আইনজীবীরা।
এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে চলা একটি বহুল আলোচিত মামলা। Arsenal F.C.-এর হয়ে খেলার সময় পার্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। যুক্তরাজ্যে সেই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি এবং মামলা বিচারাধীন অবস্থাতেই রয়েছে।
বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। প্রথমে চলতি বছরের শেষ দিকে শুনানি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে যায়। এখন ২০২৭ সালের জুন মাসে মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা।
আইনগতভাবে অভিযুক্ত হলেও এখনও দোষী সাব্যস্ত হননি পার্তে। সেই কারণে দেশের হয়ে বা ক্লাব ফুটবলে খেলার ক্ষেত্রে তাঁর উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আর্সেনালে পাঁচ বছর কাটানোর পর ২০২৫ সালে তিনি যোগ দেন Villarreal CF-এ এবং নিয়মিত ফুটবল খেলছেন।
তবে কানাডার অভিবাসন ও ভিসা নীতির ক্ষেত্রে বিচারাধীন গুরুতর অপরাধের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
ঘানার জন্য এটি নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা পার্তে না থাকায় দলের কৌশল এবং ভারসাম্যে প্রভাব পড়তে পারে। এখন দেখার, পরবর্তী ম্যাচগুলির আগে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয় কি না, নাকি পুরো টুর্নামেন্টেই ভিসা-জটিলতার কারণে দলের বাইরে থাকতে হয় অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডারকে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?