তালাবন্দি অধিবেশন কক্ষ ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কাউন্সিলরদের ‘লড়াই চালিয়ে যাওয়ার’ বার্তা দিলেন মমতা

কাউন্সিলরদের ‘লড়াই চালিয়ে যাওয়ার’ বার্তা দিলেন মমতা! Mamata Banerjee শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন— “লড়াই করতে হবে, পদত্যাগ নয়।” সকালে Kolkata Municipal Corporation-এর অধিবেশন…

May 23, 2026
1 min read

কাউন্সিলরদের ‘লড়াই চালিয়ে যাওয়ার’ বার্তা দিলেন মমতা!

Mamata Banerjee শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন— “লড়াই করতে হবে, পদত্যাগ নয়।”

সকালে Kolkata Municipal Corporation-এর অধিবেশন কক্ষ বন্ধ থাকাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, নির্ধারিত মাসিক অধিবেশনের দিন কাউন্সিলররা এসে দেখেন কক্ষে তালা ঝুলছে। ফলে ভিতরে সভা করতে না পেরে কাউন্সিলর্‌স ক্লাব রুমেই বিকল্প বৈঠক করেন মেয়র Firhad Hakim, চেয়ারপার্সন Mala Roy-সহ তৃণমূল নেতৃত্ব।


কী ঘটেছিল শুক্রবার?

তৃণমূলের অভিযোগ অনুযায়ী, পুরসভার অধিবেশন কক্ষ খোলা হয়নি। চেয়ারপার্সন মালা রায় নিজে ঘর খোলার অনুরোধ করলেও তা কার্যকর হয়নি।

এর পর মাইকবিহীন অবস্থাতেই কাউন্সিলর্‌স ক্লাব রুমে বৈঠক বসে। সেখানে ফিরহাদ হাকিম বলেন—

“গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অস্বীকার করলে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হবে।”

পরে মালা রায় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচিত পুর বোর্ডকে এ ভাবে কাজ করতে না দেওয়া “অভূতপূর্ব” ঘটনা।


কালীঘাটের বৈঠকে কী বললেন মমতা?

সন্ধ্যায় কালীঘাটে কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—

  • কোনও চাপের কাছে মাথা নত করা যাবে না
  • কাউন্সিলরদের পদত্যাগ করা চলবে না
  • নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে
  • মানুষের সঙ্গে আরও বেশি যোগাযোগ বাড়াতে হবে

দলীয় সূত্রে খবর, তিনি কাউন্সিলরদের সাংবিধানিক মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।


ধর্না কর্মসূচির ভাবনা

তৃণমূল নেতৃত্ব ভবিষ্যতে আন্দোলনের পথেও হাঁটতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, প্রথমে “ধর্মঘট” শব্দ ব্যবহার করলেও পরে মমতা স্পষ্ট করেন যে তিনি “ধর্না”র কথা বলছেন।

সম্ভাব্য আন্দোলনের জায়গা হিসেবে ডোরিনা ক্রসিংয়ের নাম উঠে এসেছে। তবে অনুমতি না মিললে পুরসভার ভিতরেই বিকল্প কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে।


বিজেপির পাল্টা আক্রমণ

ঘটনাকে “নাটক” বলে কটাক্ষ করেছে Bharatiya Janata Party। বিজেপি বিধায়ক Sajal Ghosh প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধী কাউন্সিলরদের কেন ডাকা হয়নি।

তাঁর দাবি, তৃণমূল গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে বিরোধীদের অধিকার মানছে না।


রাজনৈতিক গুরুত্ব কোথায়?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের পর কলকাতা পুরসভাকে ঘিরে এই সংঘাতকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

এক দিকে আইনি লড়াই, অন্য দিকে রাস্তায় আন্দোলনের প্রস্তুতি— দুই পথেই এগোতে চাইছে তৃণমূল। অন্য দিকে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এখন অনেকটাই পুরকমিশনারের হাতে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *