মমতাকে নিশানায় শুভেন্দু!
দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভোটগণনার স্ট্রংরুমকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। সেখানে প্রায় চার ঘণ্টা উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee— এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতা Suvendu Adhikari।
শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে শুভেন্দু দাবি করেন, ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটারদের আশ্বস্ত করাই তাঁর উদ্দেশ্য। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্ট্রংরুমে থাকলেও কোনও নিয়মভঙ্গ করতে পারেননি। তিনি জানান, বিজেপির নির্বাচনী এজেন্ট সূর্যনীল দাস সেখানেই উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো সময় নজরদারি চালিয়েছেন, যাতে কোনও ধরনের অনিয়ম না ঘটে।
শুভেন্দুর কথায়, “তিনি যতই চেষ্টা করুন না কেন, কোনও বেআইনি কাজ করতে পারেননি।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, স্ট্রংরুমে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিকে ঘিরে বিরোধীদের সন্দেহ এখনও কাটেনি।
অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্ট্রংরুমে যাওয়ার কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েই সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন। বাইরে বেরিয়ে তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে অনিয়মের চেষ্টা হচ্ছিল এবং বাইরে থেকে কিছু লোক সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিল।
মমতার কথায়, “সাধারণ মানুষ ভোট দিয়েছেন। সেই ভোটে কারচুপি হলে আমরা চুপ করে থাকব না। প্রয়োজন হলে জীবন দিয়েও লড়ব।” তিনি আরও জানান, স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং নজরদারি বাড়ানোর দাবি তুলেছেন তিনি।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ে, যখন স্ট্রংরুমের বাইরে একটি প্রচার গাড়ি ঢোকার অভিযোগ ওঠে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে, ভোটগণনার আগেই এই স্ট্রংরুম বিতর্ক রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। একদিকে শাসকদলের অভিযোগ ভোটে কারচুপির সম্ভাবনা নিয়ে, অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি— সব কিছুই নজরদারির মধ্যে রয়েছে। এখন দেখার, এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় এবং ভোটের ফলাফলে তার কোনও প্রভাব পড়ে কি না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?