দেশগুলির দাবিতে নয়া ভাবনা FIFA-র!
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে বড়সড় আর্থিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলির দীর্ঘদিনের দাবি মেনে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা FIFA এবার পুরস্কারমূল্য বাড়ানোর পথে হাঁটছে। সব কিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বার বিশ্বকাপ আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় ধরে চলবে। তার উপর তিনটি দেশ মিলিয়ে আয়োজন— ফলে দলগুলির যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও প্রস্তুতির খরচ স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে। বিশেষ করে যে দলগুলি কোয়ার্টার ফাইনাল বা তার পরের ধাপে পৌঁছাবে, তাদের ব্যয় আরও অনেক বেশি। এই বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ইউরোপের কয়েকটি দেশ প্রথম পুরস্কার বৃদ্ধির দাবি তোলে। পরে সেই দাবিতে সুর মেলায় অন্য দেশগুলিও।
এই প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশের ফুটবল সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে FIFA পুরস্কার কাঠামো পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও ঠিক কতটা বাড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা গিয়েছে, কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।
সংস্থার এক কর্তার কথায়, সদস্য দেশগুলিকে ইতিমধ্যেই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে বিশ্বকাপ থেকে প্রাপ্ত আয় আরও বেশি ভাগ করে দেওয়া হবে। শুধু পুরস্কারমূল্যই নয়, বিশ্বের ২০০-রও বেশি সদস্য দেশের ফুটবল উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
এর আগে প্রাথমিক ভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের মোট পুরস্কারমূল্য হবে প্রায় ৭২৭ মিলিয়ন ডলার। চ্যাম্পিয়ন দল পেত ৫০ মিলিয়ন ডলার, আর প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দল অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার করে পাওয়ার কথা ছিল। তবে এখন সেই অঙ্ক আরও বাড়তে চলেছে বলেই ইঙ্গিত।
সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, শুধু মাঠের লড়াই নয়— বিশ্বকাপ এখন আর্থিক দিক থেকেও আরও বড় মঞ্চ হয়ে উঠছে। বাড়তি খরচ সামাল দিতে দলগুলিকে সাহায্য করা এবং বিশ্বজুড়ে ফুটবলের উন্নয়ন ঘটানো— এই দুই লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে FIFA।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?