দ্বিতীয় দফার ভোটে কড়া নিরাপত্তা!
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, ২৯ এপ্রিলের ভোটে মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম দফার তুলনায় সংখ্যা সামান্য কম হলেও, স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
📍 কোথায় সবচেয়ে বেশি বাহিনী?
সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়— মোট ৫০৭ কোম্পানি। এই জেলার বিভিন্ন পুলিশ এলাকায় ভাগ করে বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে:
- বারাসত: ১১২ কোম্পানি
- বনগাঁ: ৬২ কোম্পানি
- বসিরহাট: ১২৩ কোম্পানি
- বিধাননগর: ৫০ কোম্পানি
- ব্যারাকপুর: ১৬০ কোম্পানি
🌆 কলকাতায় কত বাহিনী?
রাজ্যের রাজধানী কলকাতা-তেও কড়া নিরাপত্তা। এখানে মোট ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। শহরে মোট বুথ সংখ্যা ৫,১৭২— ফলে প্রতিটি এলাকায় নজরদারি থাকবে জোরদার।
🌍 অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জেলা
- দক্ষিণ ২৪ পরগনা:
- সুন্দরবন: ১১৩
- বারুইপুর: ১৬১
- ডায়মন্ড হারবার: ১৩৫
- হাওড়া:
- গ্রামীণ: ১৪৭
- কমিশনারেট: ১১০
- নদিয়া:
- কৃষ্ণনগর: ১৫৮
- রানাঘাট: ১২৭
- হুগলি:
- গ্রামীণ: ২৩৪
- চন্দননগর কমিশনারেট: ৮৩
- পূর্ব বর্ধমান: ২৬০ কোম্পানি
- পশ্চিম বর্ধমান:
- আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেট: ১৩ কোম্পানি
🔍 নিরাপত্তার হিসাব
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন জওয়ান থাকেন। অর্থাৎ, দ্বিতীয় দফার ভোটে কয়েক লক্ষ নিরাপত্তারক্ষী মাঠে থাকবেন— যা ভোট প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
⚖️ কেন এত কড়া নিরাপত্তা?
দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার মধ্যে অনেক এলাকাই অতীতে সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত। তাই কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগেভাগেই এই বিশাল নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে কমিশন।
সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় দফার ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই বিশাল বাহিনী মোতায়েন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?