সহজ জয়কে রোমাঞ্চে বদলে দিল পঞ্জাব, কনোলির ব্যাটে শেষ হাসি

সহজ জয়কে রোমাঞ্চে বদলে দিল পঞ্জাব! ম্যাচের শুরুতে দেখে মনে হয়েছিল সহজ জয়ই অপেক্ষা করছে Punjab Kings-এর জন্য। কিন্তু ক্রিকেটের সৌন্দর্যই হল তার অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে দাঁড়িয়ে অসাধারণ…

April 1, 2026
1 min read

সহজ জয়কে রোমাঞ্চে বদলে দিল পঞ্জাব!

ম্যাচের শুরুতে দেখে মনে হয়েছিল সহজ জয়ই অপেক্ষা করছে Punjab Kings-এর জন্য। কিন্তু ক্রিকেটের সৌন্দর্যই হল তার অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে দাঁড়িয়ে অসাধারণ দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দিলেন তরুণ অস্ট্রেলীয় ব্যাটার Cooper Connolly।

প্রথমে ব্যাট করে Gujarat Titans তুলেছিল ১৬২ রান। লক্ষ্য খুব বড় না হওয়ায় মনে হয়েছিল, এই রান সহজেই তাড়া করে ফেলবে পঞ্জাব। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়েছে, ততই বদলেছে চিত্রনাট্য।

ইনিংসের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি পঞ্জাবের। দ্রুত আউট হয়ে যান ওপেনার। তবে এরপর ইনিংস সামলান প্রভসিমরন সিংহ ও কনোলি। প্রভসিমরন দ্রুত কিছু রান তুললেও আউট হয়ে গেলে দায়িত্ব পুরোপুরি এসে পড়ে কনোলির কাঁধে।

অন্য প্রান্তে যখন নিয়মিত উইকেট পড়ছে, তখনও শান্ত থেকে নিজের খেলা খেলেছেন কনোলি। কিন্তু ম্যাচের আসল নাটক শুরু হয় মাঝের ওভারগুলোতে। ১১০ রানে ২ উইকেট থাকা পঞ্জাব হঠাৎই ১১৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। এই ধাক্কা এনে দেন Prasidh Krishna, যিনি ধারাবাহিক ভাবে উইকেট তুলে ম্যাচে ফেরান গুজরাতকে।

Shreyas Iyer-এর দল তখন কার্যত বিপদের মুখে। ডাগআউটে উদ্বেগ, মাঠে টানটান উত্তেজনা—সব মিলিয়ে ম্যাচ তখন পুরোপুরি উন্মুক্ত।

এই কঠিন সময়েই নিজের পরিপক্বতার পরিচয় দেন কনোলি। ঝুঁকি না নিয়ে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলেন। খারাপ বল পেলে মারেন, ভালো বল সম্মান দেন—একেবারে পরিণত ব্যাটিং। মাঝেমধ্যে ছোট ছোট পার্টনারশিপ গড়ে তুলে ম্যাচটাকে ধীরে ধীরে পঞ্জাবের দিকে টেনে আনেন।

শেষদিকে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন জেভিয়ার ব্রাটলেট। দু’জনে মিলে ম্যাচটা শেষ করে আসেন। কনোলি অপরাজিত থাকেন ৭২ রানে, যা এই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

অন্য দিকে, গুজরাতের ব্যাটিংও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। Shubman Gill কিছুটা লড়াই করলেও দলকে বড় স্কোরে পৌঁছে দিতে পারেননি। জস বাটলার, ওয়াশিংটন সুন্দরদের ইনিংসও তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। ফলে মাঝারি মানের স্কোরেই থামতে হয় তাদের।

পঞ্জাবের বোলাররাও নিজেদের কাজ ঠিকঠাক করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ রেখেছিলেন তাঁরা, যদিও শেষ দিকে কিছু অতিরিক্ত রান দিয়ে চাপ বাড়িয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে, এই ম্যাচ দেখাল—ক্রিকেটে কোনও জয়ই আগে থেকে নিশ্চিত নয়। সহজ ম্যাচও মুহূর্তে কঠিন হয়ে যেতে পারে। তবে সেই চাপ সামলে যাঁরা দাঁড়াতে পারেন, তাঁরাই শেষ পর্যন্ত নায়ক হন। এই ম্যাচে সেই নায়ক নিঃসন্দেহে কুপার কনোলি।

শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *