ড্রোন হামলায় কাঁপছে পশ্চিম এশিয়া!
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষের আগুন যেন আরও ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর এ বার হোটেলেও নিশানা করা হল আমেরিকার সেনাদের। একের পর এক বিস্ফোরণ, ড্রোন হানা আর পাল্টা হুঙ্কারে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গোটা অঞ্চল।
🇸🇦 রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে হামলা
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধ-এ মার্কিন দূতাবাসে গভীর রাতে ড্রোন হামলার খবর মিলেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত দু’টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। দূতাবাস চত্বরে আগুন লাগার ঘটনাও সামনে এসেছে।
কে এই হামলার পিছনে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সন্দেহ— ইরানি ড্রোনই এই হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে।
💣 এরবিলে হোটেলে ড্রোন হানা
ইরাকের এরবিল শহরে একটি হোটেল লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ‘ইসলামিক রেসিস্ট্যান্স’ নামে সশস্ত্র গোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই হোটেলেই মার্কিন বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছিলেন।
দূতাবাসের পর হোটেলে হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
⚠️ কুয়েতে লাগাতার আক্রমণ
সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে কুয়েত-এও। প্রশাসনের দাবি, তারা ইতিমধ্যে ১৭৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৮৪টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। অর্থাৎ হামলার তীব্রতা কতটা, তা সংখ্যাতেই স্পষ্ট।
🗣️ ট্রাম্পের কড়া বার্তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “এর জবাব কী ভাবে দেওয়া হয়, তা এ বার দেখাব।” তাঁর এই মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, পাল্টা আঘাতের সম্ভাবনা প্রবল।
🇮🇱 নেতানিয়াহুর অবস্থান
অন্যদিকে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে তারা ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ চান না। বরং দ্রুত এবং চূড়ান্ত পদক্ষেপের পক্ষেই মত দিয়েছেন তিনি।
এই মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে— দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের বদলে নির্ণায়ক সামরিক অভিযানের দিকেই ঝুঁকতে পারে ইজ়রায়েল।
✈️ আকাশপথে স্বস্তির ইঙ্গিত
গত সপ্তাহে ইরানে মার্কিন-ইজ়রায়েলি হামলার পর বহু দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। তবে এখন ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে। আবু ধাবি এবং দুবাই বিমানবন্দরে সীমিত পরিষেবা শুরু হয়েছে। আবু ধাবি থেকে একটি বিমান ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছেছে।
🌍 কেন পরিস্থিতি উদ্বেগজনক?
- মার্কিন দূতাবাসে সরাসরি হামলা কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ঘটনা
- সেনা অবস্থান করা হোটেল লক্ষ্য করে হামলা সংঘর্ষের মাত্রা বাড়াচ্ছে
- একাধিক দেশে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে
বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ না হলে এই সংঘর্ষ আরও বড় আকার নিতে পারে।
এখন বিশ্ব তাকিয়ে— আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের প্রত্যাঘাত কতটা তীব্র হয়, আর তা কি পরিস্থিতি শান্ত করবে, না আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলবে পশ্চিম এশিয়াকে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?