⚖️ জলাভূমি দখল নিয়ে আদালতের কড়া বার্তা: “কাজ না হলে নামবে কেন্দ্রীয় বাহিনী”

জলাভূমি দখল নিয়ে আদালতের কড়া বার্তা! পূর্ব কলকাতার জলাভূমি ভরাট করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাই কোর্ট। মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকার ও পুরসভার ভূমিকা…

February 24, 2026
1 min read

জলাভূমি দখল নিয়ে আদালতের কড়া বার্তা!

পূর্ব কলকাতার জলাভূমি ভরাট করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাই কোর্ট। মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকার ও পুরসভার ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য— প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়ে অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হবে।

🏗️ অভিযোগ কী?

আদালতে দায়ের হওয়া মামলায় দাবি করা হয়েছে, পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায়— বিশেষ করে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি অঞ্চলে— ৫০০টিরও বেশি বেআইনি নির্মাণ হয়েছে। অভিযোগ, জলাভূমি ভরাট করে আইন না মেনে গড়ে তোলা হয়েছে এসব স্থাপনা।

আগেও একাধিকবার শুনানির সময় আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে দ্রুত এই নির্মাণগুলি চিহ্নিত ও ভেঙে ফেলতে হবে।

📄 “রিপোর্ট নয়, কাজ চাই”

সোমবার শুনানিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকের জমা দেওয়া রিপোর্ট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য ছিল সরাসরি ও কঠোর—

“একটার পর একটা রিপোর্ট জমা পড়ছে, কিন্তু বাস্তবে কাজ হচ্ছে না। আমি রিপোর্ট দেখতে চাই না, দেখতে চাই নির্দেশ মেনে পদক্ষেপ হয়েছে।”

আদালতের মতে, এখনও অনেক জায়গায় বেআইনি নির্মাণ চিহ্নিতই করা হয়নি, যা প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।

⚡ প্রশাসনের যুক্তি কী?

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আদালতে জানায়, অনেক নির্মাণ ভাঙার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা জরুরি। সেই কাজ করতে গিয়ে চৌবাগা-সহ কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। ফলে অভিযান এগোয়নি।

তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি আদালত।

🚨 কেন্দ্রকে যুক্ত করার নির্দেশ

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতির মন্তব্য—

“যদি রাজ্য আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে না পারে, তবে কেন্দ্রের সহযোগিতা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে।”

এই মন্তব্য স্পষ্টভাবে প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

🌿 কেন গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকা?

পূর্ব কলকাতা জলাভূমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পরিবেশগত অঞ্চল। শহরের প্রাকৃতিক নিকাশী ব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেখানে বেআইনি দখল ও নির্মাণ পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ায় বলেই আশঙ্কা।

⏳ পরবর্তী শুনানি কবে?

আদালত জানিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ততদিনের মধ্যে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *