আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন বিক্ষোভ ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন বিক্ষোভ ঘিরে কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর! নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন ঘিরে এক অস্বস্তিকর ঘটনার জেরে দেশের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সম্মেলনের মাঝেই একদল কংগ্রেস…

February 23, 2026
1 min read

আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন বিক্ষোভ ঘিরে কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর!

নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন ঘিরে এক অস্বস্তিকর ঘটনার জেরে দেশের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সম্মেলনের মাঝেই একদল কংগ্রেস সমর্থকের খালি গায়ে বিক্ষোভ ঘিরে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মঞ্চকে রাজনৈতিক নাটকের জায়গায় পরিণত করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।

কী ঘটেছিল সম্মেলনে

শুক্রবার দিল্লির ভারত মণ্ডপম-এ চলছিল আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন। হঠাৎই কয়েকজন যুবক ভেতরে ঢুকে পোশাক খুলে প্রতিবাদ শুরু করেন। তাঁদের দাবি ছিল ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য সমঝোতার বিরোধিতা।

এই ঘটনা মুহূর্তেই রাজনৈতিক ঝড় তোলে। আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এমন বিক্ষোভ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে— গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কি এমনভাবে হওয়া উচিত?

মোদীর কড়া প্রতিক্রিয়া

উত্তরপ্রদেশের মেরঠে এক সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই ঘটনাই দেখিয়ে দেয় দেশের প্রাচীনতম দলটি আদর্শগত ভাবে কতটা দুর্বল হয়ে পড়েছে।”

তাঁর আরও অভিযোগ, কংগ্রেস ভারতের সাফল্য মেনে নিতে পারছে না এবং আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানকে “নোংরা ও নগ্ন রাজনীতি” করার জায়গা বানিয়েছে। ব্যক্তিগত আক্রমণের প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, তাঁকে আঘাত করতে গিয়ে তাঁর পরিবারকেও কটাক্ষ করা হয়।

অন্য দলগুলিও সমালোচনায়

এই ঘটনার সমালোচনায় শুধু বিজেপি নয়, অন্যান্য রাজনৈতিক দলও মুখ খুলেছে। পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর নেতা ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেন, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এমন আচরণ দেশের অগ্রগতির বার্তার সঙ্গে যায় না।

তিনি অবশ্য যোগ করেন, গণতন্ত্রে প্রতিবাদের অধিকার সবার আছে, কিন্তু তা যেন দায়িত্বশীলতার সীমা না ছাড়ায়।

আইনি পদক্ষেপ ও গ্রেফতার

ঘটনার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেয় দিল্লি পুলিশ। চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

পুলিশের দাবি, অভিযুক্তেরা বিদেশে হওয়া কিছু বিক্ষোভের ধাঁচে পরিকল্পনা করেই এই কর্মসূচি চালায়, যা আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে। জামিনের আবেদনও আপাতত খারিজ হয়েছে।

রাজনৈতিক বার্তা ও বিতর্ক

এই ঘটনার পর মূল প্রশ্ন হয়ে উঠেছে— রাজনৈতিক প্রতিবাদের সীমা কোথায়? একদিকে বিরোধীরা বলছে এটি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, অন্যদিকে শাসকদল বলছে এটি দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।

সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা আগামী দিনে আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *