লোককল্যাণ মার্গ ঘিরে উচ্ছেদ অভিযান: ৭১৭ পরিবারের সামনে নতুন ঠিকানার চ্যালেঞ্জ

৭১৭ পরিবারের সামনে নতুন ঠিকানার চ্যালেঞ্জ! নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র সরকারি বাসভবনের আশপাশে অবস্থিত তিনটি বস্তি উচ্ছেদকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক ও উদ্বেগ। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মোট ৭১৭টি পরিবারকে…

February 21, 2026
1 min read

৭১৭ পরিবারের সামনে নতুন ঠিকানার চ্যালেঞ্জ!

নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র সরকারি বাসভবনের আশপাশে অবস্থিত তিনটি বস্তি উচ্ছেদকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক ও উদ্বেগ। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মোট ৭১৭টি পরিবারকে আগামী ৬ মার্চের মধ্যে ঘর খালি করার নোটিস দেওয়া হয়েছে।

কোথায় উচ্ছেদ হচ্ছে?

ঘটনাটি ঘটছে রাজধানীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা Lok Kalyan Marg সংলগ্ন ভাই রাম ক্যাম্প, মসজিদ ক্যাম্প এবং ডিআইডি ক্যাম্পে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই জায়গাগুলি দীর্ঘদিন ধরে অননুমোদিত বসতি হিসেবে চিহ্নিত ছিল।

কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস বাসিন্দাদের স্পষ্টভাবে জানিয়েছে— নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘর খালি না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুনর্বাসনের আশ্বাস

উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্বাসনের কথাও বলেছে সরকার। এই ৭১৭টি পরিবারকে সাভদা ঘেভরার পুনর্বাসন কলোনিতে স্থানান্তরিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে ইতিমধ্যেই ফ্ল্যাট প্রস্তুত করেছে Delhi Urban Shelter Improvement Board (ডিইউএসআইবি)।

সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণভাবে আদালতের নির্দেশ মেনে নেওয়া হয়েছে, যাতে উচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।

কেন ক্ষোভ বাসিন্দাদের?

তবে বাস্তব সমস্যাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাভদা ঘেভরার পুনর্বাসন কলোনি লোককল্যাণ মার্গ থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে। ফলে—

  • অনেকের কর্মস্থল বদলে যাবে
  • শিশুদের স্কুলে যাওয়া কঠিন হবে
  • দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ বাড়তে পারে

এই কারণেই বহু পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাঁদের দাবি, এত দূরে স্থানান্তর মানে কার্যত নতুন করে জীবন শুরু করা, যা সহজ নয়।

আদালতের নির্দেশের ভূমিকা

উচ্ছেদ প্রক্রিয়াটি Delhi High Court-এর নির্দেশ মেনেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। আদালত আগে বলেছিল— পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেই উচ্ছেদ করতে হবে।

সময়সীমা নিয়ে চাপ

৬ মার্চের ডেডলাইন ঘনিয়ে আসায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রশাসন বলছে, সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ থাকে।

বড় প্রশ্ন

এই ঘটনাকে ঘিরে আবার সামনে এসেছে পুরনো এক দ্বন্দ্ব—
শহরের উন্নয়ন বনাম নিম্নআয়ের মানুষের বসবাসের অধিকার।

একদিকে নিরাপত্তা ও নগর পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের বাসস্থান হারানোর ভয়— এই দুইয়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে এখন অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে শত শত পরিবার।

শেষ পর্যন্ত, পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়— সেটাই এখন দেখার বিষয়।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *