সময়ের স্রোতে বদলে যাওয়া সম্পর্ক: বাবার দ্বিতীয় বিয়েতে ১০ বছরের ছেলের মনের ঝড়

বাবার দ্বিতীয় বিয়েতে ১০ বছরের ছেলের মনের ঝড়! বলিউডের তারকাদের জীবন যতটা আলোয় ভরা, তার আড়ালে ততটাই থাকে ব্যক্তিগত আবেগ, টানাপোড়েন আর সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া সম্পর্কের গল্প। ছোটবেলায় তেমনই…

February 19, 2026
1 min read

বাবার দ্বিতীয় বিয়েতে ১০ বছরের ছেলের মনের ঝড়!

বলিউডের তারকাদের জীবন যতটা আলোয় ভরা, তার আড়ালে ততটাই থাকে ব্যক্তিগত আবেগ, টানাপোড়েন আর সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া সম্পর্কের গল্প। ছোটবেলায় তেমনই এক মানসিক ঝড়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা সলমন খান।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি খোলাখুলি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা সেলিম খান যখন দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন, তখন সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে মোটেও সহজ ছিল না।

শৈশবের সেই কঠিন সময়

তখন সলমনের বয়স মাত্র ১০। ছোট্ট বয়সেই তিনি বুঝতে শুরু করেছিলেন পরিবারে কিছু একটা বদলে যাচ্ছে। তাঁর কথায়, বাবা-মায়ের প্রেমের বিয়ে হয়েছিল, আর তিনি নিজের চোখে দেখতেন—মা দিনের পর দিন অপেক্ষা করছেন, কিন্তু বাবা ফিরছেন না।

এই সময়েই সেলিম খানের জীবনে আসেন অভিনেত্রী হেলেন। কাজের সূত্রে পরিচয় থেকে ধীরে ধীরে সম্পর্ক গভীর হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাঁদের বিয়ে হয়।

এই ঘটনাই ছোট্ট সলমনের মনে তীব্র আঘাত দেয়। তিনি স্বাভাবিকভাবেই মায়ের কষ্ট দেখতেন এবং সেই অনুভূতি থেকেই বাবার নতুন সম্পর্ককে মেনে নিতে পারেননি।

কেন মেনে নিতে পারেননি?

সলমন জানিয়েছেন, তখন তাঁর মনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছিল মায়ের দুঃখ। তিনি বলেন, শিশুমনে প্রশ্ন ছিল—“বাবা কেন আর আগের মতো বাড়িতে থাকেন না?”

মায়ের কষ্টই তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল হেলেনের কাছ থেকে। ফলে শুরুতে তাঁদের সম্পর্ক ছিল অস্বস্তিকর এবং দূরত্বপূর্ণ।

সময়ই বদলে দিল সব

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সলমন বুঝতে শেখেন সম্পর্কের জটিলতা এবং বাস্তবতা। ধীরে ধীরে তিনি হেলেনকে পরিবারের অংশ হিসেবে মেনে নেন।

আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সলমনের মা সালমা খান এবং হেলেন একই বাড়িতে থাকেন, এবং পরিবারের সব সদস্যই দু’জনকেই সমান সম্মান দেন।

ভালোবাসার নতুন সংজ্ঞা

এই অভিজ্ঞতা থেকেই সলমন উপলব্ধি করেছেন—সময় অনেক ক্ষত সারিয়ে দেয়। শিশুমনের অভিমান একসময় পরিণত বয়সে বোঝাপড়ায় বদলে যায়।

আজ তিনি খোলামেলাভাবে বলেন, পরিবার মানে শুধু রক্তের সম্পর্ক নয়—বোঝাপড়া, গ্রহণযোগ্যতা আর ভালোবাসাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড়।

এই গল্প শুধু এক তারকা পরিবারের নয়, বরং দেখিয়ে দেয়—সময়, সহানুভূতি আর পরিণত ভাবনা থাকলে জটিল সম্পর্কও একদিন সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *