⚖️ অনুমোদনের জটেই আটকে বিচার: আরজি কর দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়

আরজি কর দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়! আরজি কর হাসপাতালের বহুচর্চিত দুর্নীতি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও বিচারপ্রক্রিয়া এখনও কার্যত থমকে রয়েছে। তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), কিন্তু…

February 17, 2026
1 min read

আরজি কর দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়!

আরজি কর হাসপাতালের বহুচর্চিত দুর্নীতি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও বিচারপ্রক্রিয়া এখনও কার্যত থমকে রয়েছে। তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), কিন্তু রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় অনুমোদন না মেলায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ শুরু করা যাচ্ছে না— আদালতে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।


📄 চার্জশিট আছে, কিন্তু শুরু হয়নি বিচার

সোমবার বিচার ভবনে মামলার শুনানিতে ইডির আইনজীবীরা জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হলেও তা কার্যকর করতে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের ‘স্যাংশন’ বা আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দরকার।

আইন অনুযায়ী, কোনও সরকারি পদে থাকা বা থাকা ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-এর ক্ষেত্রে সেই অনুমোদন এখনও মেলেনি বলেই আদালতে জানানো হয়েছে।

ফলে চার্জশিট জমা পড়লেও তদন্তের পরবর্তী ধাপ— যেমন আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর প্রক্রিয়া— আপাতত স্থগিত রয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ৭ এপ্রিল।


🏥 কারা রয়েছেন চার্জশিটে

ইডির জমা দেওয়া চার্জশিটে সন্দীপ ঘোষের পাশাপাশি আরও দুই ব্যবসায়ী— বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরার নাম রয়েছে। তাঁরা চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এটি এই মামলায় ইডির প্রথম চার্জশিট। এর আগে একই ঘটনার তদন্তে চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই।


💰 কী অভিযোগ উঠেছে তদন্তে

ইডির দাবি, হাসপাতালের সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা পরিকল্পিতভাবে সরানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী—

  • ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ স্থানান্তর করা হয়
  • সহযোগীদের নামে চেক ইস্যু করে টাকা তোলা হয়
  • পরে সেই অর্থ নগদে তুলে আত্মসাৎ করা হয়

তদন্তকারী সংস্থার মতে, এই পুরো প্রক্রিয়ার লক্ষ্য ছিল অবৈধ লেনদেনের টাকা গোপন রাখা।


⏳ সামনে কী হতে পারে

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যের অনুমোদন ছাড়া আদালত সরাসরি বিচার শুরু করতে পারে না। ফলে অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত মামলার অগ্রগতি অনিশ্চিতই থাকবে।

এই পরিস্থিতি প্রশাসনিক অনুমোদনের গুরুত্ব এবং আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতাকে আবারও সামনে এনে দিয়েছে।


📌 কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মামলা

এই মামলাটি শুধু আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ নয়, বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নও তুলে দিয়েছে। তদন্ত এগোলেও বিচার শুরু না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও উদ্বেগ— দুটোই বাড়ছে।

এখন সবার নজর রাজ্যের সিদ্ধান্তের দিকে— কারণ সেই অনুমোদনই নির্ধারণ করবে, এই বহুচর্চিত মামলার বিচার কবে সত্যিই শুরু হবে।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *