অনির্বাণের ‘হুলিগানইজ়ম’ ব্যান্ডের অনুষ্ঠান বাতিল!
আগামী ১ নভেম্বর গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল অনির্বাণ ভট্টাচার্যের ব্যান্ড ‘হুলিগানইজ়ম’-এর অনুষ্ঠান। তবে হঠাৎ করেই এই অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে গেছে। একই সময়ে অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণ করছিল অন্যান্য ব্যান্ড যেমন ফসিল্স, চন্দ্রবিন্দু, লক্ষ্মীছাড়া, ইউফোরিয়া। কিন্তু শুধু ‘হুলিগানইজ়ম’-এর উপস্থিতি অনুমোদন পায়নি।
🎸 ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ব্যান্ড | হুলিগানইজ়ম |
| প্রতিষ্ঠাতা | অনির্বাণ ভট্টাচার্য |
| অনুষ্ঠান তারিখ | ১ নভেম্বর ২০২৫ |
| স্থান | গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম |
| অন্যান্য ব্যান্ড | ফসিল্স, চন্দ্রবিন্দু, লক্ষ্মীছাড়া, ইউফোরিয়া |
| বাতিল হওয়ার কারণ | প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়া, হুলিগানইজ়ম থাকার কারণে |
| ব্যান্ডের বক্তব্য | রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, গান চলবে |
📝 দেবরাজের বক্তব্য
‘হুলিগানইজ়ম’ ব্যান্ডের সদস্য দেবরাজ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন:
“আমাদের অনুষ্ঠান কেন বাতিল হলো, তা সবচেয়ে ভালো জানেন আয়োজকরা। যতটা আমরা জানতে পেরেছি, হুলিগানইজ়ম থাকলে অনুমতি পাওয়া কঠিন হচ্ছে। প্রশাসনের উপর এটি নির্ভর করে। নেপথ্যের কারণ আমরা জানি না।”
ব্যান্ডের নিজস্ব পোস্টেও উল্লেখ করা হয়েছে, অনুষ্ঠান বাতিল হলেও গান বন্ধ হবে না। তারা লিখেছে:
“পশ্চিমবঙ্গ অরাজনৈতিক রাজ্য এবং সাংস্কৃতিক উদারতায় বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।”
🎶 গান ও বিতর্ক
কয়েক মাস আগে ‘হুলিগানইজ়ম’-এর একটি গান রাজনৈতিক দলের— তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপি—কে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিল। সেই কারণে বিতর্কও হয়েছিল। তবে শাসক দলের পক্ষ থেকে কোনও আপত্তি জানানো হয়নি।
পুজোর আগে ব্যান্ডের প্রকাশিত ‘পূজার গান’-এ গ্রামগঞ্জের দুর্গাপুজোর ছবি ও কথাও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। দেবরাজ জানান:
“মানুষ হয়তো আমাদের ব্যঙ্গাত্মক গান দেখেই ভাবছে আমরা শুধু এ ধরনের গান করি। আসলে আমাদের অনেক প্রেমের গানও রয়েছে, যা খুব কম প্রকাশ পেয়েছে।”
🔗 আরও পড়ুন
- হুলিগানইজ়ম ব্যান্ডের পুজার গান – bangla.technosports.co.in
- ফসিল্স ও অন্যান্য ব্যান্ডের অনুষ্ঠান – bangla.technosports.co.in
- Official Social Media of Hooliganism
🔹 উপসংহার
‘হুলিগানইজ়ম’-এর অনুষ্ঠান বাতিল হওয়া পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিবেশে একটি আলোচনার বিষয়। যদিও প্রশাসনিক কারণে অনুমোদন মেলেনি, ব্যান্ডের গান ও ভাবমূর্তির প্রতি শ্রোতাদের আগ্রহ অটুট। অনির্বাণ ও দেবরাজসহ ব্যান্ডের সদস্যরা স্পষ্ট করেছেন, গান চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও রাজনৈতিক প্রভাব নেই।