দুর্গাপুজোর ভোজে ঘরোয়া মিষ্টি!
দুর্গাপুজোর সময় শুধু ঠাকুরদেবীর আরাধনা নয়, পেটপুজোও সমান গুরুত্ব পায়। পুজোর ক’দিন ঘরে-বাইরে চলে জমিয়ে ভূরিভোজ। পোলাও, মাংসের পদ, নিরামিষ রান্না, বিরিয়ানি, রোল, চাউমিন—সবকিছুই থাকে তালিকায়। আর মিষ্টিমুখ ছাড়া তো পুজো অসম্পূর্ণ। বাইরে খেতে যাওয়া অথবা রেস্তোরাঁর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো—সব মিলিয়ে অনেকের পছন্দ হয় না। তখন বাড়িতেই খাওয়া সবচেয়ে সান্ত্বনাদায়ক।
এবার ভাবুন, খুব বেশি সময় ও জটিল উপকরণ ছাড়া সুস্বাদু কী বানানো যায়? পুজোর ভোজের শেষ পাতায় ঠাকুরবাড়ির দইয়ের মালপোয়া রাখলে মিষ্টির স্বাদেই বদলে যাবে পেটপুজোর আনন্দ। চটজলদি এবং সহজ উপকরণে এই মিষ্টি বানানো যায়।
উপকরণ
- টক দই (জল ঝরানো) – ১ কাপ
- ময়দা – ৫০ গ্রাম
- ঘি – ১০০ গ্রাম
- মৌরি – আধ চা চামচ
- চিনি – ১ কাপ
প্রণালী
১. প্রথমে একটি পাত্রে টক দই নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। দই বেশি টক হলে স্বাদমতো চিনি মেশাতে পারেন।
২. অন্য একটি পাত্রে ময়দার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে হাতে মেখে নিন, যাতে ময়দা নরম ও গুলমাল হয়।
৩. এবার ফেটানো দইয়ে মৌরি মেশান। এরপর ধীরে ধীরে ময়দা মিশ্রণে যোগ করুন। লক্ষ্য রাখুন, মিশ্রণটি খুব বেশি ঘন না হয়—এটি মালপোয়া হালকা ও নরম রাখতে সাহায্য করবে।
৪. একটি কড়াইয়ে ঘি গরম করুন। তৈরি মালপোয়াগুলি একে একে লালচে হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।
৫. অন্য একটি কড়াইতে ১ কাপ চিনি ও দেড় কাপ জল মিশিয়ে চিনি গলিয়ে একটি রস তৈরি করুন। ভাজা মালপোয়াগুলি এই রসে ডুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ, যাতে সুগন্ধ ও মিষ্টি ভালোভাবে শোষিত হয়।
৬. শেষে, পরিবেশনের সময় ওপর থেকে খানিকটা ক্ষীর ছড়িয়ে দিন। চাইলে কুচি বাদাম বা পুদিনাপাতা দিয়ে সাজিয়ে আরও মনোহর করতে পারেন।
টিপস
- দই বেশি টক হলে চিনি সামঞ্জস্য করুন, যাতে স্বাদ ভারসাম্যপূর্ণ হয়।
- মালপোয়া খুব ঘন না করে মিশ্রণ তৈরি করলে ভেজার পর নরম ও ফ্লাফি হবে।
- রসে ডুবানো সময় খুব বেশি দীর্ঘ করলে মালপোয়া অতিরিক্ত ভিজে যেতে পারে।
দুই-চার ধাপেই তৈরি হয়ে যায় এই ঠাকুরবাড়ির স্পেশ্যাল দইয়ের মালপোয়া। পুজোর শেষ মেনুতে এটি রাখলে মিষ্টির স্বাদে পেটপুজো হয়ে উঠবে আরও আনন্দময়। ছোট ও বড় সকলেরই পছন্দ হবে, আর বাড়িতেই তৈরি করা এই মিষ্টি আপনার পুজোকে আরও ঘরোয়া করে তুলবে।
রাজ্যে ৭০০ ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা, হাই কোর্টে তিন অভিযুক্তের জামিন খারিজ