ডিম্বাণুই চয়ন করে ‘বিজয়ী’ শুক্রাণু!
২০০ বছর ধরে বলার মতো একটা গল্প মনে হয়েছে – লক্ষ লক্ষ শুক্রাণুর ‘বিগল রেস’, যারা দৌড়ে দৌড়ে ডিম্বাণুতে পৌঁছার জন্য লড়াই করছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এটি মিথ মাত্র!
🔬 কী বলছে নতুন বিজ্ঞান?
• ১৯৮০-এর দশকে দেখা গেছে, মানুষে ডিম্বাণু সক্রিয় ভূমিকা নেয়। ডিম্বাণু তার চারপাশে থাকা রাসায়নিক দিয়ে শুক্রাণু খুঁজে পায়, যাচাই-বাছাই এবং নির্দিষ্ট একটা ‘সেরা’ শুক্রাণুকে আগে আসার নির্দেশ দেয় ।
• ২০২০ সালে স্টকহোম ও ম্যানচেস্টারের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিটি ডিম্বাণুর জন্য নির্দিষ্ট রাসায়নিক সঙ্কেত নির্গত হয়, যা বিভিন্ন শুক্রাণুকে আকর্ষণ করে ।
• একাধিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে – কখনও কখনও ডিম্বাণু নিজের সঙ্গীর শুক্রাণু খুঁজি না, এমনকি অন্য পুরুষের শুক্রাণুকে ‘চয়ন’ করে!
👩🔬 বিজ্ঞান বনাম পুরনো ধারণা
এই মিথ “পুরুষ সক্রিয়, নারী প্রতীক্ষমাণ” ধারণার সপক্ষে। বাস্তবে, মানবদেহ লুকিয়ে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ রাখে – শুধু এক বা দুটি ডিম্বাণু তৈরি করে, যার জীবন ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ করে।
যেসব প্রাণী একবারে প্রচুর ডিম্বাণু ও শুক্রাণু ফেলে দেয়, যেমন মাছ, ব্যাঙ বা সরীসৃপ, তাদের ক্ষেত্রে ‘সংখ্যা’ই কৌশল। কিন্তু স্তন্যপায়ী মানুষের জন্য ডিম্বাণুতে 🔑 “যোগ্যতা নির্বাচন” বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে ।
📘 সমাজ, মিথ আর বিজ্ঞান
১৯৯১-এ এমিলি মার্টিনের গবেষণা থেকে জানা যায়, ‘ছুটে গিয়ে ডিম্বাণু ভেদ’ গল্পটি কেবল বিজ্ঞান নয়—সামাজিক লিঙ্গদৃষ্টিকোণেও তৈরী। স্টার ভার্টনের বই The Stronger Sex-এ এসব প্রাচীন ভুল ধারণা তুলে ধরা হয়েছে । বিজ্ঞান ধাপে ধাপে দেখাচ্ছে – প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণ অনেক সময়ই ডিম্বাণুর হাতেই।
গোপালগঞ্জে উত্তেজনা: ‘নাইন সিরকার’ ওসাম চারজনের মৃত্যু, কারফিউ জারি