পুরীর জগন্নাথ ধামে শুভশ্রী-ইশাদের দিন: শাঁখা দেখে মুগ্ধ ইশা, খুদেকে আগলে রাখলেন শুভশ্রী

পুরীর জগন্নাথ ধামে শুভশ্রী-ইশাদের দিন! আষাঢ়ের ঘন বিকেল, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সামনে উপচে পড়া ভিড়। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ করে দেখা মিলল শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, ইশা সাহা, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায় এবং…

July 15, 2025
1 min read

পুরীর জগন্নাথ ধামে শুভশ্রী-ইশাদের দিন!

আষাঢ়ের ঘন বিকেল, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সামনে উপচে পড়া ভিড়। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ করে দেখা মিলল শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, ইশা সাহা, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তদের। একেবারে সাধারণ বেশভূষা, খালি পায়ে ভেজা মাটিতে মিশে গেলেন তাঁরা ভক্তদের সঙ্গে। মন্দিরের রথের সারির পাশে দাঁড়িয়ে ছবির প্রযোজক রানা সরকার তাঁদের পথ দেখাচ্ছিলেন।

এ দিন ছিল সোমবার, শিবপূজার বিশেষ দিন। সুস্মিতার কথায়, “আমি শিবভক্ত।” তাই প্রথমে সবাই গেলেন শিবমন্দিরে। মাথায় জল ঢেলে শিবের পুজো করলেন ইশা, ইন্দ্রনীল, সুস্মিতা। ইশা নিজেও বললেন, “পুরীতে আসার পরিকল্পনা ছিল না। শুটিং বাতিল হতেই এসে পড়লাম।” প্রথমবারের মতো জগন্নাথ দর্শনে এসে মুগ্ধ তাঁরা সবাই।

জগন্নাথ মন্দিরে পৌঁছে শুনলেন নানা অজানা গল্প। জগন্নাথদেব চাইলে তবেই নাকি দর্শনার্থীরা তাঁকে দেখতে পান। তাঁর ভোগ কোনও দিন ফুরোয় না। এসব কথা শুনে চোখে বিস্ময় ফুটে উঠেছিল ইশা এবং সুস্মিতার। পরিচালক ইন্দ্রদীপ জানালেন, “যে কোনও কাজ শুরু করার আগে আমি জগন্নাথদেবের নাম নিই।” এই মন্দিরে তাঁর বহুবার আসা।

জগন্নাথ দর্শনের পর শুরু হল ধ্বজা ওড়ানোর পর্ব। শুভশ্রী আকাশের দিকে তাকিয়ে কতবার যে এখানে এসেছেন, সে হিসেব নেই। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ এক ছোট্ট মেয়েকে আগলে নিলেন শুভশ্রী। যেন নিজের ছেলেকে আগলে রাখার মতোই।

এরপর এল ভোগ খাওয়ার পালা। কোনও ‘চিট ডায়েট’ নেই, সকলে মন খুলে খেলেন পুরু সরের পায়েস আর ঘিয়ে ভাজা মালপোয়া। সঙ্গে পরিকল্পনাও হয়ে গেল, কলকাতায় ভোগ নিয়ে যাওয়া হবে।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। আলো জ্বলে উঠেছে মন্দির চত্বরে। ধ্বজা গলায় পরে একে একে প্রার্থনা সারলেন সকলে। এ এক অনন্য অনুভূতি, চোখে-মুখে প্রশান্তির ছাপ।

শেষ মুহূর্তে ইন্দ্রনীল ইশাকে বললেন, “এই রথেই কি আমাদের শুট হবে না?” ইশা হেসে উত্তর দিলেন, “এই ছবিতে আমার যে কত বড় বড় সংলাপ!” পাশে দাঁড়িয়ে সুস্মিতা ঠাট্টা করলেন, “তুমি তো আঁতেল পরিচালক। তোমার সংলাপ ছাড়া চলবে কেন?”

ফেরার আগে ইশা চোখ রাখলেন ছোট ছোট দোকানের দিকে। শাঁখা, গয়না, জগন্নাথ মূর্তি দেখে তাঁর মন যেন আটকে গেল। পুরীর সেই বিশাল মন্দির চত্বরে হাজার দর্শনার্থীর মাঝেও ইশা যেন হারিয়ে গেলেন নিজের ভাবনায়।

সত্যিই, ভক্তি আর সিনেমার শুটিং মিলিয়ে এই দিনটা রয়ে গেল তাঁদের মনে এক বিশেষ স্মৃতি হয়ে।

দই কাটার পরে যে পাতলা জল বেরোয়, ফেলে দেবেন না! জানুন শরীরে এর উপকারিতা ও সতর্কতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *