মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তে ফের যৌথবাহিনীর জঙ্গি দমন অভিযান, গ্রেফতার ৮ উগ্রপন্থী

মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তে ফের যৌথবাহিনীর জঙ্গি দমন অভিযান! মণিপুরে ফের সক্রিয় হল পুলিশ এবং আধাসেনার যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাত থেকে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বড়সড় জঙ্গি দমন অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযানে…

July 12, 2025
1 min read

মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তে ফের যৌথবাহিনীর জঙ্গি দমন অভিযান!

মণিপুরে ফের সক্রিয় হল পুলিশ এবং আধাসেনার যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাত থেকে মায়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বড়সড় জঙ্গি দমন অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযানে এখনও পর্যন্ত আট জন উগ্রপন্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে রাজ্যের চারটি নিষিদ্ধ কমিউনিস্ট জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য।

পুলিশ সূত্রে খবর, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং এবং আরও এক জেলায় একযোগে এই অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার রাতে ইম্ফল পশ্চিম জেলার মহারাবি এলাকা থেকে প্রিপাক (ভিসি-রেড আর্মি) নামক এক বামপন্থী সশস্ত্র সংগঠনের এক ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়। কাকচিং জেলার উমাথেল অঞ্চল থেকে ধরা হয়েছে সোরেপা নামক আরেক জঙ্গি সংগঠনের দুই সদস্যকে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত, কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (পিডব্লিউজি) এবং কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (তাইবাঙ্গানবা)-র পাঁচ ক্যাডারকেও আটক করেছে যৌথবাহিনী। ফলে মোট ধৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট।

মণিপুরে অতিবামপন্থী জঙ্গি সংগঠনগুলির তৎপরতা নতুন নয়। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ইম্ফল, কাকচিং এবং আশপাশের সমতল এলাকায় বহু দিন ধরেই কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠনগুলির গোপন ঘাঁটি রয়েছে। বিশেষ করে, ২০২৩ সাল থেকে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত হিংসার আবহে এই সংগঠনগুলি ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অস্থির পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে চিনপন্থী জঙ্গি সংগঠনগুলি গোপনে শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তালিকার শীর্ষে রয়েছে ‘পিপল্‌স রেভলিউশনারি পার্টি অফ কাংলেইপাক’ (প্রিপাক) এবং ‘ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট’ (ইউএনএলএফ)। দুই সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে মণিপুরের স্বাধীনতা এবং পৃথক রাষ্ট্র গঠনের দাবি তুলে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সাল থেকে মণিপুর উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে জাতিগত সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে। মেইতেই ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াইয়ের আবহে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফাঁকেই উগ্রপন্থীরা নতুন করে সংগঠিত হতে শুরু করেছে বলে পুলিশের ধারণা।

নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই অভিযান চলবে এবং আরও জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হবে। ধৃতদের কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ। এই ধরনের অভিযানে মণিপুরের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কিছুটা হলেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ক্রিকেটার চাহালের সঙ্গে নাম জড়ানো আরজে মাহবিশের নতুন চমক, কিনে নিলেন নিজস্ব ক্রিকেট দল!

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *