ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে এগিয়ে বাংলা: মমতার দাবি ও অভিজ্ঞতার নতুন অধ্যায়

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে এগিয়ে বাংলা! পশ্চিমবঙ্গে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)গুলোর বিস্তারের কথা পুনরায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুরে চর্ম, বস্ত্র ও কুটির শিল্প কেন্দ্র ‘শিল্পান্ন’ ভবনের…

July 11, 2025
1 min read

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে এগিয়ে বাংলা!

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)গুলোর বিস্তারের কথা পুনরায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুরে চর্ম, বস্ত্র ও কুটির শিল্প কেন্দ্র ‘শিল্পান্ন’ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, রাজ্যে প্রায় ৯০ লক্ষ শ্রমসাধ্য শিল্পী কর্মরত রয়েছেন, যারা ১.৩০ কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভর করে । সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বোঝা যায়, বাংলা বর্তমানে অসংগঠিত উৎপাদন শিল্পে অসামান্য অগ্রগামী—দেশের মোট ১৬.০২ %-এর উৎপাদন বাংলায় হয় ।

মমতা আরও উল্লেখ করেন যে, রাজ্যে ৬০০টিরও বেশি ক্ষুদ্রশিল্প ক্লাস্টার, ২০০-এর অধিক শিল্প তালুক এবং প্রায় ৯.৫০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ ছাড়া হয়েছে। ‘ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড’ প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তারা গত কয়েক বছরে বাড়ছে ——এই ঋণের পরিমাণ ইতিমধ্যেই ২০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে নারী-নেতৃত্বাধীন MSME‐এর ক্ষেত্রে বঙ্গ যাচাই করে দেখেছে: দেশজুড়ে এই শিল্পে ৩৬.৪ % প্রতিষ্ঠান নারী-নেতৃত্বাধীন এবং শ্রমিকদের মধ্যে ১২.৭৩ %–ও মহিলা ।

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় প্রতিটি জেলায় ‘এক টাকা’ খরচে জমি দেওয়া হচ্ছে। একদিকে সরকার আত্মনির্ভর গোষ্ঠীর পণ্য বিক্রির জন্য দুটি তলা দিয়ে দেবে; বাকিটা নির্মাণ সংস্থারা নিজেদের সুবিধামতো ব্যবহার করতে পারবেন । এ ক্ষেত্রেই শিল্পশিল্পীদের পণ্য—বাংলার শাড়ি, হ্যান্ডব্যাগ—সহ স্থানীয় বাড়তি মূল্যবান সামগ্রী পরিচিত হবে দেশজুড়ে। শাহরিপাশাপাশিও ২০২৫–এর ‘বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে’ বাংলা এখন বড় শিল্প ক্ষেত্রেও শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে ।

সেখানেই আরও ঘোষণা হল—প্রত্যেক জেলায় একটি করে অত্যাধুনিক শপিং মল তৈরি হবে। সেসব মলে স্থান পাবেন SHG-ভিত্তিক উদ্যোক্তারা; কৃষি, হস্তশিল্প এবং খাদ্যশিল্পীদের বহুমুখভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে এই উদ্যোগ ।

ইতিবাচক প্রভাব ও চ্যালেঞ্জ
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় প্রাধান্য পাওয়া ৪০ %-এর দারিদ্র্য হ্রাসের তথ্য এবং MSME খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সমাজের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে । তবে একাধিক বিশেষজ্ঞ অভিযোগ করেন, মূল বাধাগুলোর মধ্যে রয়েছে —‘পুঁজি ঘাটতি, প্রকৃত শিক্ষা ঘাটতি এবং শিল্প যোগাযোগের পরিবেশের অভাব’।

তবে সদর্প উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং সরকারি পদক্ষেপ স্থির রেখে, বাংলা আজ যে MSME–সংক্রান্ত পরিসংখ্যান ও সামাজিক পরিবর্তনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে তা সন্দেহাতীতভাবে অনন্য।

বাধ্যতামূলক রীতি এ বার অতীত হতে চলেছে।

গুগ্‌ল ড্রাইভের জায়গা শেষ? টাকা না খরচ করেও ১৫ জিবির বাইরে স্টোরেজ বাঁচানোর ৫টি কার্যকরী উপায়

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *