কেষ্ট-হুমকির পর ফের থানার আইসি-কে ঘিরে বিতর্ক, এবার আঙুল তুললেন কাজল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা

কেষ্ট-হুমকির পর ফের থানার আইসি-কে ঘিরে বিতর্ক! বীরভূমের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের বিতর্ক। অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুর থানার আইসি-কে হুমকির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার আর এক আইসি-কে ঘিরে সরগরম রাজনীতি।…

June 21, 2025
1 min read

কেষ্ট-হুমকির পর ফের থানার আইসি-কে ঘিরে বিতর্ক!

বীরভূমের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের বিতর্ক। অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুর থানার আইসি-কে হুমকির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার আর এক আইসি-কে ঘিরে সরগরম রাজনীতি। সিউড়ি থানার অফিসার ইন চার্জ (আইসি)-কে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের সিউড়ি-২ ব্লকের সভাপতি এবং কাজল শেখ ঘনিষ্ঠ নেতা নুরুল ইসলাম।

তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন—এই আইসি ‘বোলপুরের নির্দেশে’ কাজ করছেন এবং অপরাধীদের আড়াল করছেন ‘টাকার বিনিময়ে’।

কিছু দিন আগেই একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়, যেখানে বোলপুর থানার আইসি-কে অনুব্রত মণ্ডল ফোনে হুমকি দিচ্ছেন বলে শোনা যায়। সেই ঘটনার জেরে হইচই পড়ে রাজ্যজুড়ে। পরে অনুব্রত স্বীকারও করেন, কণ্ঠস্বর তাঁরই। এরপর তিনি ক্ষমাও চান। তবে তাতে বিতর্ক থেমে থাকেনি। এবার সিউড়ি থানার আইসি-র দিকে অভিযোগের তির ঘুরেছে দলীয় অন্তর্কোন্দলের হাত ধরে।

সিউড়ি-২ ব্লকের দমদমা গ্রামে সম্প্রতি একটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে শেখ হীরার বাড়ির পাশে, যিনি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয় চাপানউতোর। একাংশের অভিযোগ, কাজল শেখ ঘনিষ্ঠেরা ওই বিস্ফোরণের পেছনে। এই প্রেক্ষিতে কাজল অনুগামী নুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি আগেই পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন যে এলাকায় বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত হচ্ছে। কিন্তু আইসি নিষ্ক্রিয় থাকেন। তাঁর কথায়, “আমি জায়গা বলে দিতে পারি। অভিযান চালালেই সেখানে বোমা মিলবে। কিন্তু পুলিশ তা করছে না। কারণ বোলপুরের নির্দেশেই চলছেন এই আইসি।”

নুরুলের অভিযোগ আরও গুরুতর। তিনি দাবি করেন, কিছু পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীর সঙ্গে সরাসরি টাকা-পয়সা লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে। এমনকি দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশ মিলেমিশে কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, “বকুল নামে এক ব্যক্তি এলাকায় সশস্ত্র গোলাবারুদ মজুত করছে, যাঁকে পুলিশ দেখেও কিছু বলছে না।”

এই ঘটনায় অনুব্রত বা জেলা পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি। তবে পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, তৃণমূলের ভিতরে বাড়তে থাকা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন প্রশাসনিক স্তরে গিয়ে পৌঁছেছে। আর তার জেরেই প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ঘটনার রাজনীতিক তাৎপর্যও স্পষ্ট। একদিকে অনুব্রত জামিনে মুক্ত হলেও তাঁর ‘প্রভাব’ যে এখনো এলাকায় কার্যকর, তা বোঝা যাচ্ছে। অন্যদিকে, কাজল শেখ ঘনিষ্ঠদের অভিযোগে বোঝা যাচ্ছে, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দাপট কায়েম রাখার লড়াই তুঙ্গে।

কোভিডের পর নতুন আতঙ্ক! ফুসফুস-কিডনি-মস্তিষ্কে হানা দিতে পারে এই মারণ ছত্রাক

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *