প্রতিশোধের মঞ্চে দুর্দান্ত জয়: হায়দরাবাদকে হারিয়ে সঞ্জীব গোয়েন্‌কার লখনউ

হায়দরাবাদকে হারিয়ে সঞ্জীব গোয়েন্‌কার লখনউ! গত বছরের আইপিএলে হায়দরাবাদের মাঠে সানরাইজার্সের কাছে ১০ উইকেটে লজ্জাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছিল লখনউ। সেই স্মৃতি যেন এখনও টাটকা। সেবার মাঠেই অধিনায়ক কেএল রাহুলকে কড়া…

March 28, 2025
1 min read

হায়দরাবাদকে হারিয়ে সঞ্জীব গোয়েন্‌কার লখনউ!

গত বছরের আইপিএলে হায়দরাবাদের মাঠে সানরাইজার্সের কাছে ১০ উইকেটে লজ্জাজনক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছিল লখনউ। সেই স্মৃতি যেন এখনও টাটকা। সেবার মাঠেই অধিনায়ক কেএল রাহুলকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করেছিলেন লখনউ মালিক সঞ্জীব গোয়েন্‌কা। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই একই মাঠে হায়দরাবাদকে হারিয়ে দারুণ প্রতিশোধ নিল লখনউ।

শার্দূল ঠাকুর এবং নিকোলাস পুরানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাঁচ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নেয় লখনউ। প্রথমে ব্যাট করে হায়দরাবাদ তোলে ১৯০/৯। তবে মাত্র ২৩ বল বাকি থাকতেই নির্ধারিত লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে লখনউ।

শার্দূলের আগুনে বোলিং

লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। সবাই ভেবেছিল হায়দরাবাদ এবার ৩০০-র ঘরে পৌঁছাবে। আগের ম্যাচে ২৮৬ রান করা দলটির ব্যাটিং লাইনআপে ছিলেন ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিশনের মতো বিধ্বংসী ব্যাটাররা। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হলো না।

শুরুতেই শার্দূল ঠাকুর হায়দরাবাদ শিবিরে ধাক্কা দেন। প্রথম ওভারে মাত্র ছয় রান দেন তিনি। পরের ওভারে আবেশ খান দেন নয় রান। অভিষেক শর্মা পুল মারতে গিয়ে পুরানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। পরের বলেই ঈশান কিশনও আউট হন। গ্লাভসে লাগা বল সোজা পন্থের হাতে জমা পড়ে।

হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়ে শার্দূলের তৃতীয় বলটি কোনো মতে রক্ষা করেন নীতীশ রানা। এরপরেও থামেননি শার্দূল। চার ওভারে ৩৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে মহসিন খানের পরিবর্ত হিসাবে লখনউ দলে নেওয়া হয়েছিল।

হেডের ঝড় থামালেন প্রিন্স

দুই ওপেনার আউট হয়ে গেলেও ট্রেভিস হেড শুরু করেন তাণ্ডব। আবেশ খানের এক ওভারেই তিনি দুটি ছয় এবং একটি চার মারেন। তবে হেডকে বেশিক্ষণ টিকতে দিলেন না প্রিন্স যাদব। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান হেড। সেই প্রিন্সই কিছুক্ষণের মধ্যে হাইনরিখ ক্লাসেনকেও রান আউট করেন। নীতীশ রানার শট তাঁর হাতে লেগে সরাসরি উইকেটে আঘাত হানে, ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া ক্লাসেন তখন ব্যাকফুটে।

পুরানের বিধ্বংসী ইনিংস

১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লখনউয়ের শুরুটাও ভালো হয়নি। প্রথম ওভারে তিন রানেই এডেন মার্করামকে তুলে নেন মহম্মদ শামি। তবে এরপর ম্যাচের রং বদলান নিকোলাস পুরান। মাত্র ২৬ বলে ৭০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। পুরানের ব্যাট থেকে ছক্কা এবং চারের ঝড়ে হায়দরাবাদের বোলারদের কোনঠাসা করে দেয় লখনউ।

শার্দূল এবং পুরানের যুগলবন্দিতে গোয়েন্‌কার দল এই আইপিএলে তাদের প্রথম জয় ছিনিয়ে নেয়। মাঠের প্রতিশোধ যেন মাঠেই সম্পূর্ণ হলো। লখনউয়ের এই জয় কেবল পয়েন্ট টেবিলেই নয়, মানসিকভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

মোদীর আমন্ত্রণে সাড়া, ভারতে আসছেন পুতিন! দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *