২৭ কোটি থেকে ১৫ কোটি! দল বদলে বেতন কমল পন্থের, তবে আইপিএলে এমন নজির আরও আছে

দল বদলে বেতন কমল পন্থের, তবে আইপিএলে এমন নজির আরও আছে! আইপিএলে দল বদলের সঙ্গে সঙ্গে বড় আর্থিক ধাক্কা খেলেন ঋষভ পন্থ। লখনউ সুপার জায়ান্টস থেকে পুরনো দল দিল্লি ক্যাপিটালসে…

June 24, 2026
1 min read

দল বদলে বেতন কমল পন্থের, তবে আইপিএলে এমন নজির আরও আছে!

আইপিএলে দল বদলের সঙ্গে সঙ্গে বড় আর্থিক ধাক্কা খেলেন ঋষভ পন্থ। লখনউ সুপার জায়ান্টস থেকে পুরনো দল দিল্লি ক্যাপিটালসে ফিরলেও তাঁর বেতন এক ধাক্কায় কমে গেল ১২ কোটি টাকা। ২৭ কোটি টাকা থেকে নেমে হল ১৫ কোটি। আইপিএলের ‘ট্রেডিং’-এর ইতিহাসে এত বড় বেতন কমার নজির আর নেই।

দু’বছর আগে আইপিএল নিলামে পন্থকে ২৭ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল লখনউ। সেই সময় তিনিই ছিলেন আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দামে কেনা ক্রিকেটার। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স দিতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত লখনউয়ের সঙ্গে সমঝোতা করে দিল্লি তাঁকে দলে ফিরিয়ে নেয়। ফলে নিজের পুরনো ঘরে ফিরলেও আর্থিক দিক থেকে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হল ভারতের উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে।

তবে শুধু পন্থই নন, আইপিএলের ইতিহাসে এমন অনেক ক্রিকেটার রয়েছেন যাঁরা দল বদলের সময় আগের তুলনায় অনেক কম বেতন পেয়েছেন। কখনও চোট, কখনও পারফরম্যান্সের ওঠানামা, আবার কখনও দলের কৌশলগত সিদ্ধান্তের কারণে এমন পরিবর্তন দেখা গিয়েছে।

এই তালিকায় সবচেয়ে বড় বেতনের পতনের নজির রয়েছে বেঙ্কটেশ আয়ারের। ২০২৫ সালের নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ২৩.৭৫ কোটি টাকা দিয়ে দলে নিয়েছিল। কিন্তু পরের মরসুমেই তাঁকে ছেড়ে দেয় কেকেআর। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু তাঁকে মাত্র ৭ কোটি টাকায় দলে নেয়। অর্থাৎ বেতনের পার্থক্য ছিল ১৬.৭৫ কোটি টাকা। তবে নতুন দলে গিয়ে সাফল্যও পেয়েছেন বেঙ্কটেশ। দু’বার আইপিএল জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি।

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার স্যাম কারেনের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছিল বড় পরিবর্তন। পঞ্জাব কিংস তাঁকে ১৮.৫ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল। পরে চেন্নাই সুপার কিংস তাঁকে নেয় মাত্র ২.৪ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ১৬.১ কোটি টাকা কমে নতুন দলে যোগ দেন কারেন।

নিউজিল্যান্ডের পেসার কাইল জেমিসনের ক্ষেত্রেও একই ছবি। ২০২১ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু তাঁকে ১৫ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল। পরে চেন্নাই তাঁকে দলে নেয় মাত্র ১ কোটি টাকায়। ফলে তাঁর বেতন কমে যায় ১৪ কোটি টাকা।

অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্কের ক্ষেত্রেও বড় পার্থক্য দেখা গিয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে ২৪.৭৫ কোটি টাকায় কিনেছিল। পরের নিলামে তাঁর দাম নেমে হয় ১১.৭৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১৩ কোটি টাকার ব্যবধান তৈরি হয়।

আইপিএলে বড় অঙ্কের চুক্তি যেমন ক্রিকেটারদের জনপ্রিয়তা ও পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দেয়, তেমনই পরের মরসুমে সেই দাম ধরে রাখা সহজ নয়। একটি খারাপ মরসুম, চোট বা দলের প্রয়োজন বদলে গেলে কোটি কোটি টাকার পার্থক্য তৈরি হতে পারে। পন্থের ঘটনাও সেই বাস্তবতারই আরেকটি উদাহরণ।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *