২০২৭ বিশ্বকাপ জিততে পারে পাকিস্তান!!
দীর্ঘ দিনের আইসিসি ট্রফির খরা কাটিয়ে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ জিততে চায় পাকিস্তান। সেই লক্ষ্য পূরণে আত্মবিশ্বাসী দলের ওপেনার ফখর জ়মান। তবে বিশ্বমঞ্চে সাফল্য পাওয়ার প্রত্যাশার পাশাপাশি ক্রিকেটারদের উপর যে চাপ রয়েছে, তা-ও স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
ট্রফি জয়ের জন্য দলের অন্দরে আলোচনা
শেষ বার ২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল পাকিস্তান। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে সেই ট্রফি ঘরে তুলেছিল তারা। তার পর থেকে আর কোনও আইসিসি ট্রফি জিততে পারেনি পাকিস্তানের পুরুষ দল।
ফখর জানিয়েছেন, এই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে দলের ক্রিকেটারেরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন। তাঁর কথায়, আইসিসি ট্রফি জেতার প্রত্যাশা থেকেই তাঁদের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। সেই চাপ সামলে কী ভাবে দলকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে।
সমর্থকদের প্রত্যাশা বোঝেন ফখর
দীর্ঘ দিন বড় কোনও আন্তর্জাতিক ট্রফি না জিতলে সমর্থকদের হতাশ হওয়া স্বাভাবিক বলে মনে করেন পাকিস্তানের এই ব্যাটার। তাঁর মতে, ভাল খেললে ক্রিকেটারেরা সমর্থকদের ভালবাসা ও সম্মান পান। কিন্তু সেমিফাইনাল বা ফাইনালে পৌঁছনোর সঙ্গে ট্রফি জেতার আনন্দের তুলনা হয় না।
ফখরের আশা, আগামী বিশ্বকাপে দল নিজেদের সেরাটা দিতে পারবে এবং ট্রফি পাকিস্তানে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে। তবে আত্মবিশ্বাস থাকলেও মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু এখন থেকেই
২০২৭ সালের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই দল গঠনের উপর জোর দিতে চাইছে পাকিস্তান। ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আসন্ন ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ়কে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন ফখর।
তাঁর মতে, এই প্রতিযোগিতায় নামার আগে বেশির ভাগ ক্রিকেটার ঘরোয়া ক্রিকেট খেলবেন। ফলে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যে থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পাবেন তাঁরা।
পাকিস্তানের সামনে এখন লক্ষ্য একটাই—বিশ্বকাপের আগে দলকে সঠিক ছন্দে নিয়ে আসা। ফখরের আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবে কাজে লাগে, তার উত্তর মিলবে মাঠেই। তবে দীর্ঘ ট্রফি-খরা কাটানোর স্বপ্ন নিয়ে যে পাকিস্তান এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করেছে, তা স্পষ্ট।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।