হ্যামস্ট্রিং চোটে রাফিনহা!
বিশ্বকাপে ব্রাজ়িলের উদ্বেগ বাড়াল রাফিনহার চোট। হাইতির বিরুদ্ধে ম্যাচে হঠাৎ মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উইঙ্গার। পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছেন তিনি। তবে কত দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে পারবেন, তা এখনও নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি ব্রাজ়িল ফুটবল সংস্থা।
শনিবার হাইতির বিরুদ্ধে ম্যাচের ৪০ মিনিটে অস্বস্তি অনুভব করেন রাফিনহা। এরপর আর ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে তুলে নেন কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠ ছাড়ার সময় বার্সেলোনার এই ফুটবলার ডান ঊরুর পিছনের অংশে হাত দিয়ে ধরেছিলেন। তখনই আশঙ্কা করা হয়েছিল, পুরনো হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যা আবার ফিরে এসেছে।
ব্রাজ়িলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন জানিয়েছে, পরীক্ষায় রাফিনহার ডান ঊরুর পিছনের পেশিতে চোট ধরা পড়েছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়েছে এবং জাতীয় দলের মেডিক্যাল টিম নিয়মিত তাঁর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। তবে কবে তিনি অনুশীলনে ফিরতে পারবেন বা ম্যাচ খেলার মতো অবস্থায় আসবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
রাফিনহার চোট নিয়ে ব্রাজ়িলের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি খুব খারাপ না হলে তিনি বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ফেরার চেষ্টা করতে পারেন। তবে বুধবার স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে এবং দ্বিতীয় রাউন্ডের লড়াইয়ে তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম।
চিকিৎসকদের ধারণা, অনুশীলনে ফিরতে তাঁর ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগতে পারে। ফলে নকআউট পর্বের আগে তাঁকে নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইবেন না আনচেলোত্তি। কারণ রাফিনহার বিকল্প নেওয়ার সুযোগও আর নেই।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের দলে পরিবর্ত ফুটবলার নেওয়ার সময়সীমা গত ১২ জুন শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই রাফিনহা যদি পুরো টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যান, তা হলে ব্রাজ়িল তাঁর জায়গায় নতুন কাউকে দলে নিতে পারবে না।
২৯ বছরের এই উইঙ্গারের জন্য চোট নতুন সমস্যা নয়। গত এক বছরে চার বার হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যায় ভুগেছেন তিনি। গত মরসুমে ক্লাব ফুটবলেও চোটের কারণে ২৩টি ম্যাচে খেলতে পারেননি। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচেও হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে।
রাফিনহা ব্রাজ়িলের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান ভরসা। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল তৈরির ক্ষমতার উপর অনেকটাই নির্ভর করছে আনচেলোত্তির পরিকল্পনা। তাই নকআউটের লড়াইয়ের আগে তাঁর ফিট হয়ে ফেরা ব্রাজ়িলের জন্য বড় স্বস্তির বিষয় হতে পারে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?