সুপার এইটের আগে চ্যালেঞ্জের বার্তা!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্ব শুরু হওয়ার আগেই উত্তেজনা তুঙ্গে। শক্তিশালী ভারত দলকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রেখেছে তাদের দুই প্রতিপক্ষ— ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ও জ়িম্বাবোয়ে। দুই দলের অধিনায়কই এক সুরে জানিয়ে দিয়েছেন— তারা শুধু অংশ নিতে নয়, শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছে।
বদলে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের আত্মবিশ্বাস
গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচের চারটিতেই জিতে দারুণ ছন্দে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। অধিনায়ক শাই হোপ মনে করেন, তাদের দল আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত ও পরিকল্পিত ক্রিকেট খেলছে।
তাঁর কথায়, একসময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ় মানেই ছিল শুধু বিধ্বংসী ব্যাটিং। এখন সেই ভাবমূর্তি বদলেছে। দল হিসেবে খেলার উপর জোর দিয়েছে তারা। প্রতিটি ক্রিকেটার নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে পরিষ্কার— আর সেই সমন্বয়ই তাদের শক্তি।
হোপ সরাসরি ভারতের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, দেশের মাটিতে সূর্যকুমার যাদবদের হারানো সহজ নয়। তবে তারা লড়াই থেকে পিছিয়ে আসবে না। তাঁর স্পষ্ট বার্তা—
“আমরা খেলতে নয়, জিততে এসেছি।”
আন্ডারডগ মানসিকতায় ভয়হীন জ়িম্বাবোয়ে
অন্য দিকে, জ়িম্বাবোয়ের আত্মবিশ্বাসও কম নয়। কঠিন গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে তারা সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছে।
অধিনায়ক সিকন্দর রাজা নিজেকে ‘আন্ডারডগ’ হিসেবেই দেখতে চান। তাঁর মতে, এতে দলের উপর চাপ কম থাকে এবং খেলোয়াড়রা অনেক বেশি স্বাধীনভাবে খেলতে পারে।
তিনি বলেন, দল এক ম্যাচ করে এগোচ্ছে। সুপার এইটে তিন ম্যাচের মধ্যে দু’টি জিততে পারলে পরিস্থিতি পুরো বদলে যেতে পারে। তাঁর বিশ্বাস— নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলে যে কোনও দলকে হারানো সম্ভব।
ভারতের সামনে কঠিন লড়াই
সুপার এইটে ভারতের গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জ়িম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। সূচি অনুযায়ী—
- ২২ ফেব্রুয়ারি: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে
- ২৬ ফেব্রুয়ারি: জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে
- ১ মার্চ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে
সব ম্যাচই হবে ভারতে, ফলে ঘরের মাঠের সুবিধা থাকলেও প্রতিপক্ষদের আত্মবিশ্বাস যে প্রবল, তা স্পষ্ট।
চাপ নয়, প্রস্তুতিতেই জোর
দুই প্রতিপক্ষ অধিনায়কই একটি বিষয় পরিষ্কার করেছেন— তারা টস, পরিস্থিতি বা প্রতিপক্ষের নাম নিয়ে ভাবছেন না। তাদের ফোকাস শুধুই নিজেদের খেলায়।
এই বার্তায় সুপার এইটের লড়াই যে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে চলেছে, তা এখনই বোঝা যাচ্ছে। ভারতের জন্য পথ মোটেও সহজ নয়— বরং প্রতিটি ম্যাচেই অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা।
প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই