সিবিএসই খাতা মূল্যায়ন ঘিরে বিতর্ক, রাহুলের প্রশ্নে মুখ খুলল বোর্ড

রাহুলের প্রশ্নে মুখ খুলল বোর্ড! সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। কংগ্রেস নেতা Rahul Gandhi অভিযোগ তুলেছেন, যে সংস্থাকে ডিজিটাল মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া…

May 28, 2026
1 min read

রাহুলের প্রশ্নে মুখ খুলল বোর্ড!

সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। কংগ্রেস নেতা Rahul Gandhi অভিযোগ তুলেছেন, যে সংস্থাকে ডিজিটাল মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদের অতীত নিয়েই রয়েছে প্রশ্ন। আর সেই অভিযোগের জবাব দিতে বাধ্য হয়েছে Central Board of Secondary Education।

ঘটনার সূত্রপাত সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীর একটি ভিডিও পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কি যথাযথ যাচাই ছাড়াই দেওয়া হল?” তাঁর দাবি, ‘কেএম্পট এডুটেক’ নামে যে সংস্থা সিবিএসই-র খাতা দেখার দায়িত্ব পেয়েছে, তারা অতীতে অন্য নামে একই ধরনের বিতর্কে জড়িয়েছিল।

রাহুলের অভিযোগ, এই সংস্থার আগের নাম ছিল ‘গ্লোবারেনা টেকনোলজিস’। ২০১৯ সালে তেলেঙ্গানার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার মূল্যায়নের কাজেও তারা যুক্ত ছিল। সেই সময় ফল প্রকাশে নানা অনিয়ম ও বিভ্রান্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, সেই অতীত জেনেও কী ভাবে আবার এমন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হল?

এই অভিযোগের জবাবে সিবিএসই স্পষ্ট জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াই নিয়ম মেনে করা হয়েছে। বোর্ডের বক্তব্য, কেএম্পট এডুটেককে কোনও “ঘুরপথে” দায়িত্ব পাইয়ে দেওয়া হয়নি। সরকারি ক্রয়বিধি মেনেই দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের পরেই সংস্থাটিকে নির্বাচন করা হয়েছে।

সিবিএসই আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২৮ অগস্ট সেন্ট্রাল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট পোর্টালে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল, অর্থাৎ পরীক্ষা শুরু হওয়ার অনেক আগেই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যে সংস্থা প্রযুক্তিগত ও আর্থিক দিক থেকে এগিয়ে ছিল, তাদেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে বোর্ডের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে পাল্টা লেখেন, “আমি চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন করেছিলাম। সিবিএসই তার কোনওটার সরাসরি উত্তর দেয়নি।” তাঁর দাবি, প্রায় সাড়ে ১৮ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে বিষয়টি জড়িয়ে রয়েছে। তাই পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

রাহুল কেন্দ্রের কাছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসআইটি গঠনের দাবিও জানিয়েছেন। তাঁর মতে, শুধু নিয়ম মেনে টেন্ডার ডাকা হয়েছে বললেই সন্দেহ দূর হয় না। অতীতের বিতর্ক এবং সংস্থার ভূমিকা নিয়ে আরও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দরকার।

অন্য দিকে, কেএম্পট এডুটেকের প্রধান ভিএসএন রাজু সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং কম পরিষেবা মূল্যের কারণেই তাঁরা এই বরাত পেয়েছেন। এমনকি মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় নজরদারির জন্য এক জন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদকেও চেয়ারম্যান হিসেবে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

সব মিলিয়ে, পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই সিবিএসই-র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ঘিরে রাজনৈতিক এবং শিক্ষামহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *