শহিদ সেনাদের পরিবারের পাশে প্রীতি!
ভারতের সেনাদের অবদান আর সাহসিকতা আমরা সবারই সম্মান করি। কিন্তু যখন কোনো সেনা শহিদ হন, তখন শুধু তিনি নয়, তার পরিবারেরও এক অসীম ত্যাগ থাকে—যা কখনো পূর্ণপুরণ হয় না। সেই পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জ়িন্টা।
‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গলা তুলেছিলেন তিনি। এবার পহেলগাঁও কাণ্ডের পর শহিদের স্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক কোটি টাকা দান করেছেন প্রীতি। এই উদ্যোগ নিয়েছেন আইপিএল-এর পঞ্জাব কিংস-এর কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির আওতায়।
শনিবার জয়পুরে এক অনুষ্ঠানে প্রীতি নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “আমাদের দেশের সেনারা সাহসিকতার দৃষ্টান্ত। কিন্তু তাঁদের সাহসিকতার পিছনে থাকে তাঁদের পরিবার। তাঁদের ত্যাগের কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না, আমরা শুধু তাঁদের পাশে দাঁড়াতে পারি।”
প্রতিরক্ষা বাহিনীর সন্তান হওয়ায় প্রীতি এই বিষয়ে বিশেষভাবে সংবেদনশীল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি আগেও লেখেন, “আমি তো সেনা পরিবারের মেয়ে। তাই যখন দেশের জন্য কেউ শহিদ হয়, তা আমার হৃদয়কে গভীরভাবে আঘাত করে। রক্ত ঝরলে আমি চুপ থাকতে পারি না।”
প্রীতি আরও বলেন, “সেনাদের চেয়েও তাঁদের পরিবার অনেক বেশি শক্তিশালী। দেশের জন্য নিজের ছেলেদের উৎসর্গ করা মায়েদের সাহস দেখেছেন? সেই স্ত্রীদের কথা ভাবুন যারা আর কখনও স্বামীর হাসি দেখতে পাবেন না। সেই সন্তানদের কথা ভাবুন, যারা কখনও বাবাকে দেখে বড় হবে না। এটাই তাঁদের কঠিন বাস্তব, যা কখনো বদলাবে না।”
সেনাদের এই সাহসিকতার গল্প যেমন সবাই জানে, তেমনি পরিবারগুলোর সংগ্রামও কম নয়। প্রীতি বিশ্বাস করেন, এই সাহসিকতার পেছনে যারা রয়েছেন, তাঁদের জন্য আমাদের সমাজের সমর্থন একান্ত প্রয়োজন।
এই উদ্যোগ শুধু অর্থ সাহায্য নয়, এটি দেশের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারদের প্রতি একটি শ্রদ্ধার বার্তা। প্রীতি জ়িন্টার এই উদ্যোগ অনেকের কাছে প্রেরণার উৎস হবে বলেই আশা করা যায়।
‘দেশি অস্ত্রেই জয়ের গল্প’ — ‘মন কি বাত’-এ মোদীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সাফল্য তুলে ধরা