‘শহজ়াদ ভট্টী নেটওয়ার্ক’ কী? স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৪ রাজ্যে অভিযান, গ্রেফতার ২০০-র বেশি

স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৪ রাজ্যে অভিযান, গ্রেফতার ২০০-র বেশি! স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে সম্ভাব্য নাশকতার ছক ভেস্তে দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্য অনুযায়ী, ১২ অগস্ট ১৪টি…

August 20, 2026
1 min read

স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৪ রাজ্যে অভিযান, গ্রেফতার ২০০-র বেশি!

স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশজুড়ে সম্ভাব্য নাশকতার ছক ভেস্তে দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্য অনুযায়ী, ১২ অগস্ট ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে ২০০-র বেশি সন্দেহভাজন জঙ্গি ও সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে আইইডি, গ্রেনেড, পেট্রল বোমা-সহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের কথাও জানানো হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থাগুলির নজরে থাকা ‘শহজ়াদ ভট্টী নেটওয়ার্ক’কে ঘিরেই মূলত এই অভিযান বলে জানা যাচ্ছে।

কে এই শহজ়াদ ভট্টী?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহজ়াদ ভট্টী আগে আন্তঃসীমান্ত অপরাধজগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁর নাম বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দাবি, পাকিস্তান ও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং ভারতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর ক্ষেত্রে সমাজমাধ্যম ও এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ব্যবহার করা হত বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

কী ভাবে কাজ করত এই নেটওয়ার্ক?

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটির বিরুদ্ধে গ্রেনেড, আইইডি ও পেট্রল বোমা হামলা এবং বেছে বেছে হত্যার মতো অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে পুলিশ, প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থান সম্পর্কে নজরদারি চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

তবে তদন্তাধীন অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে আদালতে প্রমাণিত তথ্য এবং তদন্তকারী সংস্থার দাবি—এই দু’টি বিষয় আলাদা করে দেখা জরুরি।

১২ অগস্টের অভিযানে কী উদ্ধার?

কেন্দ্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৪টি রাজ্যে চালানো অভিযানে বিপুল সংখ্যক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ২০০-র বেশি জনকে গ্রেফতারের কথা জানানো হয়েছে। উদ্ধার সামগ্রীর মধ্যে ছিল—

  • ইম্প্রোভাইজ়ড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা আইইডি
  • গ্রেনেড
  • পেট্রল বোমা
  • সিসি ক্যামেরা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, উদ্ধার হওয়া কিছু গ্রেনেডে পাকিস্তানের অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির ছাপ ছিল।

কোন কোন রাজ্যে অভিযান?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট ২৫৩ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ২০০-র বেশি জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগ্রেফতারের সংখ্যা
উত্তরপ্রদেশ৬২
হরিয়ানা৫২
দিল্লি৫১
পঞ্জাব৪৪
রাজস্থান১৫
মহারাষ্ট্র৮
উত্তরাখণ্ড৫
কর্নাটক৩
গুজরাত৩
বিহার৩
তেলঙ্গানা২
হিমাচল প্রদেশ২
জম্মু-কাশ্মীর২
কেরল২

এ ছাড়া ‘শহজ়াদ ভট্টী নেটওয়ার্ক’-এর বিরুদ্ধে ইউএপিএ, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অস্ত্র আইন, এনডিপিএস এবং বিস্ফোরক সংক্রান্ত আইনে ৮০টিরও বেশি এফআইআর দায়েরের কথা জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

বড় প্রশ্ন তরুণদের নিয়ে

নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, ভারতীয় তরুণদের নেটওয়ার্কে টানার চেষ্টা। সমাজমাধ্যম এবং অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগ তাই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

তবে এই পুরো বিষয়টিই তদন্তাধীন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *