রোনাল্ডোর ‘ফ্লপ শো’তে গ্যালারিতে ‘মেসি, মেসি’ ধ্বনি!!
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো-র বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছে হতাশাজনক ভাবে। গ্রুপ কে-র প্রথম ম্যাচে পর্তুগাল ১-১ গোলে ড্র করে ডিআর কঙ্গো-র বিরুদ্ধে। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের একাংশ রোনাল্ডোকে লক্ষ্য করে “মেসি, মেসি” ধ্বনি দিতে শুরু করেন। লিওনেল মেসি-র নাম ধরে টিটকিরি শুনে রোনাল্ডোও কিছু বলে প্রতিক্রিয়া জানান, যদিও তাঁর বক্তব্য স্পষ্ট শোনা যায়নি।
ম্যাচে কী হয়েছিল?
ম্যাচের শুরুতেই পর্তুগাল এগিয়ে গেলেও সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি। ডিআর কঙ্গো সমতায় ফেরে এবং শেষ পর্যন্ত ১-১ ফল নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল। পর্তুগাল বলের দখল বেশি রাখলেও আক্রমণে ধার দেখাতে পারেনি এবং গোটা ম্যাচে মাত্র একটি শট অন টার্গেটে রাখতে সক্ষম হয়।
রোনাল্ডোর জবাব
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল— পর্তুগালের সমস্যাটা কোথায়?
রোনাল্ডো অবশ্য দলের সমালোচনা মানতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, “আমি কোনও খামতি দেখতে পাচ্ছি না। এটাই ফুটবল। আমরা জিততেও পারতাম, ওরাও হারতে পারত। কিন্তু ম্যাচ ড্র হয়েছে। একটি ম্যাচ দেখে এত বড় সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর কারণ নেই।”
সমালোচনার কেন্দ্রে সিআর৭
তবে মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। ৪১ বছর বয়সী রোনাল্ডো এই ম্যাচে কার্যত প্রভাবহীন ছিলেন। কয়েকটি সুযোগ পেলেও সেগুলি কাজে লাগাতে পারেননি। পর্তুগালের আক্রমণভাগে তাঁর উপস্থিতি খুব কমই চোখে পড়েছে।
বিশ্বকাপে এটি রোনাল্ডোর রেকর্ড ষষ্ঠ অংশগ্রহণ। কিন্তু তাঁর গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ফলে অনেক ফুটবল বিশ্লেষক প্রশ্ন তুলছেন, বর্তমান পর্তুগাল দলে তাঁর ভূমিকা ঠিক কতটা কার্যকর। অন্যদিকে সমর্থকদের একাংশ এখনও মনে করেন, দলের সামগ্রিক কৌশলগত সমস্যার দায় শুধু রোনাল্ডোর উপর চাপানো ঠিক হবে না।
সামনে কঠিন পরীক্ষা
প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ানোর পর এখন পর্তুগালের সামনে উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। নকআউট পর্বে যেতে হলে রোনাল্ডো ও তাঁর দলকে দ্রুত ছন্দে ফিরতেই হবে।
বর্তমানে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রোনাল্ডো হলেও, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে একটি ম্যাচ দিয়েই কোনও দল বা ফুটবলারের ভাগ্য নির্ধারণ করা যায় না। তবে এটাও সত্যি যে, কঙ্গোর বিরুদ্ধে ড্রয়ের পর পর্তুগাল এবং তাদের অধিনায়ককে ঘিরে প্রশ্নের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?