হঠাৎ দল ছেড়ে বাড়ি ফিরলেন রিঙ্কু, জ়িম্বাবোয়ে ম্যাচে কি খেলবেন না?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের ঠিক আগে ভারতীয় শিবিরে নেমে এল উদ্বেগের ছায়া। হঠাৎ করেই দলের হোটেল ছেড়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফিনিশার রিঙ্কু সিংহ। ফলে বৃহস্পতিবার জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তাঁর খেলা প্রায় অনিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
⚡ হঠাৎ কী ঘটল?
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে প্রথম সুপার এইট ম্যাচে হারার পর থেকেই চাপে রয়েছে সূর্যকুমার যাদব নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েই মঙ্গলবার সকালে চেন্নাইয়ের টিম হোটেল থেকে বেরিয়ে যান রিঙ্কু।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর এই হঠাৎ ফেরার কারণ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও জরুরি। রিঙ্কুর বাবা খানচন্দ সিংহ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁকে গ্রেটার নয়ডার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ভেন্টিলেটর সাপোর্টে চিকিৎসা চলছে।
এই খবর পেয়ে কোচ গৌতম গম্ভীর-এর অনুমতি নিয়েই বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন রিঙ্কু।
🏟️ ম্যাচের আগে ধাক্কা ভারতীয় দলে
রিঙ্কুর অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এক নির্ভরযোগ্য ম্যাচ-ফিনিশার হিসেবে। বিশেষ করে চাপের মুহূর্তে তাঁর শান্ত ব্যাটিং দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলের অনুশীলনেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তাই বৃহস্পতিবার জ়িম্বাবোয়ে জাতীয় ক্রিকেট দল-এর বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁর খেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলেই মনে করছেন ক্রিকেটমহলের অনেকে।
🟣 আইপিএল তারকা থেকে জাতীয় দলের ভরসা
আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর জাতীয় দলে নিজের জায়গা পাকা করেছেন রিঙ্কু। শেষ ওভারে দ্রুত রান তোলার দক্ষতার জন্যই তাঁকে ভারতীয় ব্যাটিং লাইন-আপের অন্যতম ‘ফিনিশার’ হিসেবে ধরা হয়।
তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে টিম ম্যানেজমেন্টকে নতুন করে ব্যাটিং কম্বিনেশন ভাবতে হতে পারে।
🤔 সামনে কী হতে পারে?
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, রিঙ্কু যদি সময়মতো দলে ফিরতে না পারেন, তবে ভারতের প্রথম একাদশে পরিবর্তন নিশ্চিত। সেই ক্ষেত্রে মিডল অর্ডারে অন্য কোনও ব্যাটারকে ফিনিশারের ভূমিকা নিতে হতে পারে।
তবে দলের ভিতরে আশাবাদ— পারিবারিক পরিস্থিতি সামলে তিনি দ্রুত দলে ফিরবেন।
❤️ মাঠের বাইরে মানুষ রিঙ্কু
ক্রিকেটারদের জীবন শুধুই মাঠের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়। ব্যক্তিগত জীবনের টানাপড়েনও তাঁদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। রিঙ্কুর এই সিদ্ধান্ত সেই মানবিক দিকটাই সামনে এনে দিয়েছে— পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর কাছে এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
ভারতীয় সমর্থকরাও তাই প্রার্থনা করছেন— তাঁর বাবার দ্রুত আরোগ্য এবং রিঙ্কুর দ্রুত মাঠে প্রত্যাবর্তনের জন্য।
প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই