মেসি-রোনাল্ডো নন, বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনিই!
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই তারকাদের মঞ্চ। এ বারও নজরের কেন্দ্রে রয়েছেন লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, হ্যারি কেন এবং কিলিয়ান এমবাপে। বিশ্ব ফুটবলের এই চার মহাতারকার মধ্যে কে সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, তা নিয়ে সমর্থকদের কৌতূহলের শেষ নেই। তবে সেই প্রশ্নের জবাব নিজেই দিয়ে দিলেন ফরাসি তারকা এমবাপে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে মজার ছলে একাধিক তুলনামূলক প্রশ্ন করা হয়। প্রথমে জানতে চাওয়া হয়, মেসি এবং হ্যারি কেনের মধ্যে কে বেশি গোল করবেন। এমবাপে বেছে নেন মেসিকে। এরপর প্রশ্ন ওঠে, মেসি ও রোনাল্ডোর মধ্যে কে এগিয়ে থাকবেন। এবার তিনি রোনাল্ডোর নাম বলেন।
কিন্তু শেষ প্রশ্নটাই ছিল সবচেয়ে আকর্ষণীয়— রোনাল্ডো এবং এমবাপের মধ্যে কে বেশি গোল করবেন? এক মুহূর্তও দেরি না করে নিজের নামই বলেন ফরাসি অধিনায়ক। অর্থাৎ, তাঁর বিশ্বাস এ বারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই হবেন।
এই আত্মবিশ্বাসের পিছনে রয়েছে তাঁর দুর্দান্ত বিশ্বকাপ রেকর্ড। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন এমবাপে। সেই আসরে তিনি করেছিলেন আটটি গোল। অন্য দিকে, মেসির গোলসংখ্যা ছিল সাত। ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে মেসি করেছিলেন জোড়া গোল, আর এমবাপে করেছিলেন স্মরণীয় হ্যাটট্রিক। শেষ পর্যন্ত মাত্র এক গোলের ব্যবধানে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নিজের ঝুলিতে পুরেছিলেন ফরাসি তারকা।
এ বারের বিশ্বকাপ আরও বিশেষ হতে চলেছে। কারণ, মেসি এবং রোনাল্ডো দু’জনেই খেলতে নামছেন তাঁদের রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে। ফুটবল ইতিহাসে এর আগে কোনও খেলোয়াড় ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নেননি। বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা বর্তমানে ১৩, আর রোনাল্ডোর ৮।
অন্য দিকে, মাত্র তৃতীয় বিশ্বকাপে নামতে চলেছেন এমবাপে। কিন্তু ইতিমধ্যেই তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১২টি বিশ্বকাপ গোল। ফলে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোজ়ের ১৬ গোলের সর্বকালের রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে তিনিও অন্যতম বড় দাবিদার।
শুধু ব্যক্তিগত রেকর্ড নয়, দলগত সাফল্যের লড়াইটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এমবাপে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছেন, আর মেসি ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন। ফলে দু’জনের সামনেই রয়েছে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ। অন্য দিকে, রোনাল্ডো এবং হ্যারি কেন এখনও বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পাননি। তাই তাঁদের লক্ষ্য হবে প্রথমবারের মতো দেশের হাতে বিশ্বসেরার ট্রফি তুলে দেওয়া।
বিশ্বকাপের আগে এমবাপের এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, মাঠে নেমে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী কতটা সত্যি প্রমাণিত হয়।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?