মেসির প্রতিবাদ, রেফারির সতর্কবার্তা!
আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু মাঠের উত্তেজনাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের চোখের কাছে লাগানো ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ম্যাচের এমন কিছু মুহূর্ত, যা সাধারণ সম্প্রচারে দেখা যায়নি। ম্যাচ শুরুর আগের সৌহার্দ্য থেকে শুরু করে মেসির সঙ্গে রেফারির কথোপকথন, পারেদেসকে সামলানোর নির্দেশ এবং শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা—সবই উঠে এসেছে সেই ফুটেজে।
ম্যাচ শুরুর আগে টানেলে রদ্রি ও কুকুরেয়াকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় মেসিকে। দুই দলের ফুটবলারেরাও পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেন। কিন্তু ম্যাচ শুরু হতেই বদলে যায় ছবিটা। এনজ়ো ফের্নান্দেজ় এবং অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে একাধিক ফাউলের জন্য সতর্ক করেন ভিনচিচ। তাঁদের উদ্দেশে রেফারি জানান, পরের বার ফাউল হলে কার্ড দেখানো হবে।
ফুটেজে মেসি ও রদ্রির বল দখলের লড়াইও ধরা পড়েছে। মেসি রেফারির একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানালে ভিনচিচ তাঁকে বলেন, “লিয়ো, আমি সবটা দেখছি।” অর্থাৎ, আর্জেন্টিনার অধিনায়কের মতো তারকার প্রভাব যাতে সিদ্ধান্তে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি ছিলেন সতর্ক।
পারেদেসকে সামলানোর দায়িত্ব মেসির উপর!
বদলি হিসেবে মাঠে নেমে লিয়ান্দ্রো পারেদেস বার বার ফাউল করছিলেন। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। এরপরও ফাউল চলতে থাকায় ভিনচিচ মেসিকেই তাঁকে সামলানোর অনুরোধ করেন। রেফারির নির্দেশ ছিল, পারেদেসকে বোঝাতে হবে যাতে তিনি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেখেন।
ফাইনালের পরেও ভিনচিচের ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ধরে রাখে। পুরস্কার নিতে যাওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে দেখা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তাঁকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, “খুব ভাল কাজ করেছো।” এরপর হাসিমুখে ভিনচিচকে মেডেল পরিয়ে দেন তিনি।
এই ফুটেজ তাই শুধু একটি ঐতিহাসিক ফাইনালের মাঠের ছবি নয়; বরং ম্যাচ পরিচালনার সময় রেফারির সিদ্ধান্ত, ফুটবলারদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন এবং ম্যাচ শেষের আনুষ্ঠানিক মুহূর্তগুলিরও বিরল দলিল হয়ে উঠেছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।