ভোজশালা মামলায় বড় রায় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের

ভোজশালা মামলায় বড় রায় মধ্যপ্রদেশ! মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার বিতর্কিত ভোজশালা চত্বর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল Madhya Pradesh High Court। আদালত জানিয়েছে, ভোজশালার বিতর্কিত অংশটি মূলত মন্দির হিসাবেই বিবেচিত হবে। একই…

May 16, 2026
1 min read

ভোজশালা মামলায় বড় রায় মধ্যপ্রদেশ!

মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার বিতর্কিত ভোজশালা চত্বর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল Madhya Pradesh High Court। আদালত জানিয়েছে, ভোজশালার বিতর্কিত অংশটি মূলত মন্দির হিসাবেই বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে মুসলিম পক্ষকে অন্যত্র উপাসনার ব্যবস্থা করার পরামর্শও দিয়েছেন বিচারপতিরা।

শুক্রবার বিচারপতি বিজয়কুমার শুক্ল এবং বিচারপতি অলোক অবস্থীর ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়। বহু বছর ধরে চলা বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ধার শহরের প্রায় হাজার বছরের পুরনো কামাল মওলা মসজিদ ও দরগা চত্বর, যাকে হিন্দু সংগঠনগুলি ‘ভোজশালা’ নামে দাবি করে আসছে।

কী বলেছে আদালত?

আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথি, প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য এবং এএসআই-এর সমীক্ষা বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে ওই স্থানে হিন্দু উপাসনার ধারাবাহিকতা কখনও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি। আদালতের মতে, এই স্থানে রাজা ভোজ প্রতিষ্ঠিত সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতী মন্দিরের অস্তিত্বের উল্লেখ পাওয়া যায়।

তাই বিতর্কিত অংশটিকে মন্দির হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

মুসলিম পক্ষকে কী পরামর্শ?

রায়ে মুসলিম পক্ষকে অন্যত্র উপাসনার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত। বিচারপতিরা জানিয়েছেন, উপাসনার জন্য বিকল্প স্থান নিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এএসআই-এর ভূমিকা

Archaeological Survey of India-কে ভোজশালার বিতর্কিত অংশের সংরক্ষণ ও সুরক্ষার পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই অংশের রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ এএসআই-এর হাতেই থাকবে।

সরস্বতী মূর্তি ফেরানোর দাবি

হিন্দু পক্ষের আবেদনকারীরা দীর্ঘ দিন ধরেই লন্ডনের একটি জাদুঘর থেকে সরস্বতীর প্রতিমা ভারতে ফিরিয়ে এনে ভোজশালায় স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছেন। আদালত বলেছে, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আবেদনগুলি বিবেচনা করতে পারে।

দীর্ঘ দিনের বিতর্ক

বর্তমান সরকারি ব্যবস্থায় মঙ্গলবার হিন্দুদের পুজো এবং শুক্রবার মুসলিমদের নমাজ পড়ার অনুমতি ছিল ভোজশালায়। ২০২২ সালে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সেখানে একচ্ছত্র হিন্দু উপাসনার দাবি তোলে।

তার পর ২০২৪ সালে আদালতের নির্দেশে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালায় এএসআই। প্রায় ৯৮ দিন ধরে চলা সেই সমীক্ষার রিপোর্টে দাবি করা হয়, বর্তমান মসজিদের জায়গায় অতীতে পারমার রাজবংশের আমলে একটি বৃহৎ হিন্দু স্থাপনা ছিল।

যদিও মুসলিম পক্ষ শুরু থেকেই ওই রিপোর্টকে “পক্ষপাতদুষ্ট” বলে দাবি করে এসেছে। সেই বিতর্কের মাঝেই এ বার গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *