‘ভাং বরসে’ কলকাতায়! দোলের দিনে সেরা ঠান্ডাই পেতে ঘুরে আসুন এই ৩ ঠিকানায়

ভাং বরসে’ কলকাতায়! দোল মানেই রঙের উচ্ছ্বাস, আবিরের ছোঁয়া আর জমজমাট আড্ডা। তবে রং খেলার পাশাপাশি আর একটি ঐতিহ্য বহু বছর ধরে জড়িয়ে রয়েছে এই উৎসবের সঙ্গে—ভাঙের শরবত। একসময় অবাঙালিদের…

March 3, 2026
1 min read

ভাং বরসে’ কলকাতায়!

দোল মানেই রঙের উচ্ছ্বাস, আবিরের ছোঁয়া আর জমজমাট আড্ডা। তবে রং খেলার পাশাপাশি আর একটি ঐতিহ্য বহু বছর ধরে জড়িয়ে রয়েছে এই উৎসবের সঙ্গে—ভাঙের শরবত। একসময় অবাঙালিদের মধ্যেই এর চল বেশি ছিল, কিন্তু এখন কলকাতার বাঙালিরাও দোলের দিনে ঠান্ডাইয়ের গ্লাসে চুমুক দিতে বেশ আগ্রহী। আপনি যদি এ বার দোল উপলক্ষে ভাঙের বিশেষ স্বাদ নিতে চান, তা হলে শহরের এই তিন ঠিকানায় ঢুঁ মারতেই পারেন।


১) Shiv Shakti Sharbat Shop (বিকে পাল এভিনিউ)

প্রায় ৬০ বছরের পুরনো এই দোকান দোলের সময় হয়ে ওঠে ভাঙপ্রেমীদের তীর্থক্ষেত্র। সকাল থেকেই লম্বা লাইন—কেউ বাদাম ঠান্ডাইয়ের খোঁজে, কেউ বা কেশর-পেস্তা স্বাদের জন্য।

এখানকার বিশেষত্ব হল ভাঙের লাড্ডু। গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী সেই লাড্ডু মিশিয়েই বানিয়ে দেওয়া হয় ঠান্ডাই। ঘন মালাই, কুচোনো বাদাম আর কেশরের হালকা গন্ধ—সব মিলিয়ে একেবারে জমজমাট স্বাদ। প্রথম বার চেখে দেখলে বোঝাই যাবে কেন বছরের পর বছর ধরে এই দোকানের জনপ্রিয়তা অটুট।


২) Shiv Ashram (বিধান সরণি)

প্রায় ৩৫ বছরের পুরনো এই ঠিকানা মূলত লস্যির জন্য বিখ্যাত। গরমকালে অনেকেই এখানে ভিড় জমান ঠান্ডা লস্যির খোঁজে। তবে দোল এলেই ছবিটা বদলে যায়—তখন ভাঙ লস্যির জন্য উপচে পড়ে ভিড়।

ম্যাঙ্গো, রোজ় বা সাধারণ লস্যি—যে কোনও স্বাদেই চাইলে ভাঙ মিশিয়ে নিতে পারেন। লস্যির পাশাপাশি এখানকার কেশর-বাদাম ঠান্ডাইও অত্যন্ত জনপ্রিয়। মিষ্টতার সঙ্গে ভাঙের হালকা ঝাঁঝ এমন ভাবে মিশে যায় যে একবার খেলেই তার স্বাদ দীর্ঘ দিন মনে থাকে।


৩) Langra Bhang Shop (বড়বাজার)

ভাঙের খোঁজে বড়বাজারে গেলে হতাশ হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। জৈন মন্দিরের উল্টো দিকে অবস্থিত এই ছোট্ট দোকানটির নাম শহরের বহু ভাঙপ্রেমীর মুখে মুখে ফেরে।

এখানে খুব বেশি রকমারি স্বাদের ঠান্ডাই না মিললেও, ক্লাসিক ভাঙ ঠান্ডাইয়ের জন্য এর জুড়ি মেলা ভার। সরল স্বাদ, কিন্তু তাতেই রয়েছে আসল মজা। যারা ভাঙের ঐতিহ্যবাহী স্বাদ খুঁজছেন, তাঁদের জন্য এই ঠিকানাই যথেষ্ট।


আরও একটি বিকল্প

নিমতলা এলাকায় Bhootnath Temple-এর আশেপাশেও দোলের সময় বেশ কয়েকটি অস্থায়ী দোকান বসে। সেখানেও ভাঙের শরবত চেখে দেখতে পারেন।


একটি কথা মনে রাখবেন: ভাঙের নেশা মৃদু মনে হলেও তার প্রভাব কিন্তু কম নয়। তাই সংযম বজায় রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। রং, আড্ডা আর এক গ্লাস ঠান্ডাই—সব মিলিয়ে দোলের দিনটা হোক আনন্দে ভরপুর, তবে সচেতন থাকুন নিজের শরীরের প্রতিও। শুভ দোল!

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *