ব্যাটিং ভরাডুবিতে হতাশ রাহানে, তবু বলছেন!
হারের ধারা যেন থামছেই না। কলকাতা নাইট রাইডার্স আবারও হারল, এ বার চেন্নাই সুপার কিংস-এর কাছে। কিন্তু এই হারের সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে সামনে এল ব্যাটিং ব্যর্থতা— যা নিয়ে ম্যাচের পর স্পষ্ট হতাশা ঝরল অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে-র গলায়।
ম্যাচ শেষে রাহানে সরাসরি স্বীকার করেন, দলের ব্যাটিং একেবারেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। তাঁর কথায়, অন্তত উপরের সারির একজন ব্যাটারের শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকা দরকার ছিল। সেটাই হয়নি। আর সেখানেই ম্যাচ হাতছাড়া।
তিনি বলেন, “আমরা খারাপ বল করিনি। কিন্তু এই উইকেটে ১৯০ রান যথেষ্ট ভালো স্কোর। চেন্নাই পাওয়ার প্লে দারুণ ব্যবহার করেছে। আমরা পারিনি। প্রথম ছ’ওভারে কম রান ওঠাই বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।”
কথাটা একদম অমূলক নয়। পাওয়ার প্লে-তেই পিছিয়ে পড়ে কেকেআর। তার পর আর ম্যাচে ফেরা হয়নি।
সবচেয়ে হতাশাজনক তথ্য— পুরো ইনিংসে দলের সর্বোচ্চ রান মাত্র ৩৫! এই রান এসেছে রমনদীপ সিংহের ব্যাট থেকে। কোনও বড় জুটি নেই, নেই লড়াই করার মতো ইনিংসও।
তবে শুধু ব্যাটিং নয়, দল নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। রাহানে নিজেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমরা শেষ দু’টো ম্যাচ একই দল নিয়ে খেলেছি। দলটা খারাপ নয়, কিন্তু ফল আসছে না। তাই ভাবতে হবে। প্রথম একাদশে পরিবর্তন আসতেই পারে।”
যদিও মুখে ইতিবাচক থাকার কথা বলছেন, বাস্তবে রাহানেকে বেশ দিশেহারা দেখিয়েছে। ম্যাচ চলাকালীন তাঁর শরীরী ভাষাতেও আত্মবিশ্বাসের অভাব স্পষ্ট ছিল।
তবে দলের ব্যর্থতার মাঝেও প্রশংসা করেছেন কার্তিক ত্যাগী-র। তাঁর মতে, ত্যাগী প্রতি ম্যাচে উন্নতি করছেন এবং তাঁর গতির সামনে ব্যাটারদের পক্ষে বড় শট মারা সহজ নয়।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—
যখন স্পিনাররা ভালো বল করছিলেন, তখন কেন তাঁদের পুরো কোটা ব্যবহার করা হল না?
কেন বারবার ব্যর্থ হওয়া পেসারদের উপর ভরসা রাখা হচ্ছে?
সব মিলিয়ে, কেকেআরের সমস্যাটা এখন শুধু ফর্মের নয়— পরিকল্পনা, দল নির্বাচন এবং নেতৃত্ব— সব ক্ষেত্রেই ধাক্কা খাচ্ছে দল।
রাহানের কথায়, “একজন ব্যাটার দাঁড়ালেই ম্যাচ ঘুরে যেত।”
কিন্তু বাস্তব বলছে— শুধু একজন নয়, পুরো দলকেই বদলাতে হবে, নইলে এই হারের ধারাই চলতে থাকবে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?