বেগনি টুপির মালিক রাবাডা!
আইপিএলে তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশীর আগ্রাসী ব্যাটিং ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে ক্রিকেটমহলের। বিশ্বের সেরা বোলারদেরও শুরু থেকেই চাপে ফেলছে সে। শনিবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ পেসার কাগিসো রাবাডার বিরুদ্ধে পর পর দু’টি ছক্কা হাঁকিয়ে চমকে দেয় বৈভব। কিন্তু সেই ধাক্কা সামলে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন রাবাডা। ম্যাচ শেষ করেন তিন উইকেট নিয়ে, আর সেই সঙ্গেই উঠে আসে বেগনি টুপি তাঁর মাথায়।
ম্যাচের পরে নিজের সাফল্যের নেপথ্যের কারণও জানিয়েছেন গুজরাতের এই জোরে বোলার। রাবাডার কথায়, দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতাই তাঁকে কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।
তিনি বলেন, “১১ বছর ধরে যে বিষয়গুলো আমাকে সাহায্য করেছে, এখনও সেগুলোই কাজে লাগে। ক্রিকেটে ভাল ফল করতে গেলে কিছুটা ঝুঁকি নিতেই হয়। তবে শুধু ঝুঁকি নয়, এর পিছনে কঠোর পরিশ্রমও রয়েছে।”
রাবাডা আরও জানান, প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করাও তাঁর প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, “ব্যাটারদের দুর্বল জায়গাগুলো নিয়ে আলাদা করে কাজ করি। ছোট ছোট বিষয়েও নজর রাখতে হয়। তবে মূল পদ্ধতি একই রয়েছে।”
শনিবারের ম্যাচে রাবাডা ৩ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত ১১টি ম্যাচে তাঁর ঝুলিতে ১৮টি উইকেট। সেই কারণেই এখন বেগনি টুপির দখলও তাঁর হাতেই।
তবে শুধু পারফরম্যান্স নয়, দীর্ঘ টুর্নামেন্টে শারীরিক এবং মানসিক ধকল সামলানোও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন রাবাডা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এখন শরীর ভালই আছে। কিন্তু টুর্নামেন্টের এই সময়ে ক্লান্তি আসতেই পারে। মানসিক ক্লান্তিও একটা বড় বিষয়। সেটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই আসল।”
তাঁর মতে, আইপিএলের শেষ পর্যায়ে পেশাদারিত্ব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রতিটি ম্যাচে সতেজ ভাবে নামার জন্য শরীর ও মন— দু’দিকই সামলাতে হয়।
বৈভবের মতো তরুণ ব্যাটারের বিরুদ্ধে শুরুতে চাপে পড়েও যে ভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন রাবাডা, তা আবারও প্রমাণ করল— অভিজ্ঞতা এবং ধৈর্যই বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা