বিশ্বকাপে আমেরিকায় ঢুকতে পারেননি!
বিশ্বকাপের মঞ্চে ম্যাচ পরিচালনার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। আমেরিকার অভিবাসন নীতির কারণে বৈধ ভিসা এবং কূটনৈতিক পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও মায়ামি বিমানবন্দর থেকেই ফিরে যেতে হয়েছিল সোমালিয়ার রেফারি ওমর আব্দুলকাদির আরতানকে। সেই আরতানকেই এ বার বড় দায়িত্ব দিল উয়েফা।
সোমালিয়ার এই রেফারি ইউরোপের বাইরে থেকে প্রথম আম্পায়ার হিসেবে উয়েফা সুপার কাপের ম্যাচ পরিচালনা করতে চলেছেন। প্যারিস সঁ জরমঁ এবং অ্যাস্টন ভিলার ম্যাচে বাঁশি হাতে দেখা যাবে তাঁকে। এত দিন উয়েফা সুপার কাপের প্রতিটি ম্যাচই ইউরোপের রেফারিরা পরিচালনা করেছেন। ফলে আরতানের নিয়োগকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বিশ্বকাপের সময় আমেরিকায় ঢুকতে না পারার ঘটনা নিয়ে অবশ্য তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সোমালিয়ার প্রথম রেফারি হিসেবে বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছিলেন আরতান। ২০২৫ সালে আফ্রিকার সেরা রেফারির পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়েন।
তাঁর কাছে বৈধ মার্কিন ভিসা এবং সোমালিয়ার কূটনৈতিক পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও মায়ামি বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে ফেরত পাঠানো হয়। ফলে বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।
বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করতে না পারলেও আরতানকে তাঁর প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা জানিয়েছিল ফিফা। কিন্তু তাঁকে আমেরিকায় ঢুকতে না দেওয়ার ঘটনায় ফিফার তরফে আরও কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে উয়েফার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ফিফা ও উয়েফার মধ্যে সাম্প্রতিক মতপার্থক্যের আবহে আরতানকে সুপার কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।
তবে কারণ যা-ই হোক, আরতানের সামনে এখন বিশ্ব ফুটবলে নিজের জায়গা আরও শক্ত করার বড় সুযোগ। আমেরিকার মাটিতে যে বিশ্বকাপ তাঁর কাছে হতাশার হয়ে থেকে গিয়েছিল, ইউরোপের মঞ্চে সেই রেফারিই এ বার ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর অপেক্ষায়।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।