রবিবার ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি!!
তিন বছর পর আবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে দেখা হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কলকাতা ক্লাবের। বৃহস্পতিবার শিলংয়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠল মোহনবাগান। রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তাদের সামনে ইস্টবেঙ্গল।
ম্যাচের নায়ক নিঃসন্দেহে মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে নর্থইস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম শট আটকে দিয়ে সবুজ-মেরুনকে ফাইনালের টিকিট এনে দেন বিশাল।
টাইব্রেকারে বিশালের দুরন্ত পারফরম্যান্স
টাইব্রেকারে প্রথমে নিনকোভিচ গোল করে নর্থইস্টকে এগিয়ে দেন। মোহনবাগানের হয়ে সমতা ফেরান রাহুল ভেকে। এর পর আলাদিনের শট বিশালের হাতে লেগে গোলে ঢুকলেও শুভাশিস বসু ২-২ করেন।
এথিয়েন নর্থইস্টকে ফের এগিয়ে দিলেও লিস্টন কোলাসো ৩-৩ করেন। চতুর্থ শটে রবিন যাদবের প্রয়াস বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন বিশাল। জেমি ম্যাকলারেন গোল করে মোহনবাগানকে ৪-৩ এগিয়ে দেন। শেষ শটে পার্থিব গগৈয়ের প্রয়াসও রুখে দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন বিশাল।
তিন বছর পর ফের কলকাতা ডার্বি
২০২৩ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। সে বার দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল মোহনবাগান। তিন বছর পর ফের ফাইনালে মুখোমুখি দুই দল। ফলে রবিবারের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের সামনে থাকবে বদলার সুযোগ।
মোহনবাগানের জন্য অবশ্য এই জয় আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। দু’বছর আগে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছেই টাইব্রেকারে হেরে ডুরান্ডে টানা তৃতীয় বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়েছিল। এ বার সেই নর্থইস্টকেই হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছল সবুজ-মেরুন।
বৃষ্টিভেজা মাঠে গোলশূন্য লড়াই
শিলংয়ের প্রবল বৃষ্টির কারণে মাঠে একাধিক জায়গায় জল জমেছিল। ফলে স্বাভাবিক পাসিং ফুটবল খেলা কঠিন হয়ে পড়ে। মোহনবাগান বলের দখল বেশি রাখলেও গোলের সুযোগ তৈরিতে নর্থইস্ট কিছুটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু আলাদিন, এথিয়েন, ম্যাকার্টনরা একাধিক সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি কোনও দল। শেষ পর্যন্ত ০-০ স্কোরলাইনেই নির্ধারিত সময় শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়েও গোল না হওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে—আর সেখানেই বিশালের নায়কোচিত পারফরম্যান্সে বাজিমাত করে মোহনবাগান।
এ বার রবিবারের মঞ্চ যুবভারতী। সামনে কলকাতা ডার্বি। ডুরান্ডের ফাইনালে এক দিকে মোহনবাগান, অন্য দিকে ইস্টবেঙ্গল—শহর ফের ভাগ হবে সবুজ-মেরুন ও লাল-হলুদে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।