বাজার মাতানো অনলাইনে কেনাকাটা, ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে ভরা ‘পর্সেলস্কেপ’
সিন্ধির এক ৬৬ বছরের একা মহিলা— যার নাম জানলেই প্রায় অবাক হতে হয়— গত কয়েক বছরে অনলাইনে কেনাকাটায় এমন ব্যয় করেছেন যা সমস্তরকম কল্পনাকে ছাড়িয়ে যায়। শুনতেই অবাক হবেন, তার খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ₹২.৪ কোটি! শুধু তাই নয়, ভিড়ে ঠাসা বাড়িগুলোর মাঝে তো আর সবার চোখ এড়ানো সম্ভব নয়— তাই তিনি ভাড়া নিয়েছেন সম্পূর্ণ একটি ফ্ল্যাট শুধুমাত্র ‘নতুন চালান’ সংরক্ষণ করতে।
🏘 পরিকল্পনা না, প্রতিক্রিয়া
ওয়াং নিজেরই হূদয়োক্ত বলেছেন, কলকাতার মতো শহরের কেন্দ্রস্থলে ফ্ল্যাট বিক্রি করে তিনি শহরতলীতে ভাড়া বাড়ি কিনেছেন— কারণ তার বড় সম্পদের কথা জেনে প্রতিবেশীরা ধার চাইতে এসে থাকতেন। তাই অনলাইনে নাছোড়ে কেনাকাটা শুরু করেন তিনি, যাতে তার ঘর পরিপূর্ণ দেখামাত্রই সবাই চুপ করে যায়!
পার্সেল পাহাড় ও ঘর— উভয়ই ভর্তি
শুরুতে নিজের ফ্ল্যাট ভরিয়ে ফেলেছিলেন। শেষমেশ ঘরের মধ্যে হাঁটাও করলেন না— কারণ স্তূপেও স্তূপে unopened package জমে গেছে। এমনকি তার নামাঙ্কিত গ্যারাজও ভর্তি হয়ে যায়। অবশেষে, তিনি কিনলেন অতিরিক্ত এক ফ্ল্যাট— যেখানে সব unopened parcels সরিয়ে নিয়ে যান।
কেন এই খোরাক?
• ওনার সঙ্গীর কোনও যোগাযোগ নেই আর কন্যাও বিদেশে বাস করেন। সমাজবিচ্ছিন্ন তার জীবন— আর অনলাইনে কেনাকাটাই হয়ে উঠল তার “উদ্দীপনা”।
• তিনি জানালেন, “এত পণ্য দেখে কেউ আর টাকা ধারতে আসবে না।”
• তিনি মূলত লাইভ স্ট্রিমিং থেকে সরাসরি কিনতেন— প্রসাধনী, সোনা, স্বাস্থ্যসাপ্লিমেন্ট, সবই অর্ডার হত কঠিন ট্যাপেই।
প্রতিবেশীদের দুর্ভোগ
জামাটাকৃত প্যাকেট আর অপরিষ্কৃত আবর্জনায় তার ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে, রাজি হয় প্রতিবেশীরা অভিযোগ জানাতে। মশা-মাকড় ভিড় জমে ঘরের আশেপাশে—– যার ফলে বর্তমান অতিথিরাও মুগ্ধ হননি তার এই স্বাধীন জীবনযাপনকে।
মনের অবস্থা: সাইকোলোজিস্টদের তোড়জোড়
চীনের মেন্টাল হেলথ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অস্বাভাবিক পরিকল্পিত খরচ একটি “hoarding disorder”-এর লক্ষণ হতে পারে, যেখানে মানসিক নিঃসঙ্গতা ও সামাজিক উদ্বেগ কাজ করছে। তারা জানাচ্ছেন, এই অবস্থার চিকিৎসা বহুদিন নেয় এবং তার জন্য সতর্ক মনিটরিং জরুরি।
গোপালগঞ্জে উত্তেজনা: ‘নাইন সিরকার’ ওসাম চারজনের মৃত্যু, কারফিউ জারি